× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬, ০৫:১০ পিএম

ক্রীড়ামন্ত্রী হচ্ছেন আমিনুল হক!

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬, ০৫:১০ পিএম

আমিনুল হক। ছবি : সংগৃহীত

আমিনুল হক। ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য ছিল বড় হতাশা ও বিস্ময়ের সংমিশ্রণ। পুরো ফুটবলপ্রেমী জাতির চোখ ছিল ঢাকা-১৬ আসনে, জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক সফল অধিনায়ক আমিনুল হকের দিকে।

গ্যালারির গর্জন তোলা আমিনুল মাঠের লড়াইয়ে পরাজিত হলেও, গুঞ্জন আছে রাজনীতির টেবিলে তিনিই এখন ক্রীড়ামন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে।

বলা হচ্ছে, বিএনপি জোট সরকার গঠন করলে, সংসদ সদস্য না হয়েও ‘টেকনোক্রেট’ কোটায় আমিনুল হকের মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এমনকি ক্রীড়াপ্রেমীদেরও দাবি, এ মুহূর্তে আমিনুলের চেয়ে যোগ্য ও ত্যাগী আর কেউ নেই।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চরম উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল বাতেন (দাঁড়িপাল্লা) ৮৮,৮২৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে, আমিনুল হক (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৮৫,৪৬৭ ভোট। মাত্র ৩ হাজার ৩৬১ ভোটের এই পরাজয় অবিশ্বাস্য বলে মনে করছেন তার দীর্ঘদিনের সতীর্থরা।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, দলও আমিনুলকে ‘টেকনোক্রেট’ কোটায় মন্ত্রী বানানোর কথা ভাবছে। কারণ বেসরকারিভাবে ভোটে জিতে যারা সংসদ সদস্য হয়েছেন তাদের চেয়েও যোগ্যতার বিচারে অনেক এগিয়ে রয়েছেন সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক।

জাতীয় দলের সাবেক গোলরক্ষক ও আমিনুলের রুমমেট বিপ্লব ভট্টাচার্য্য ব্যথিত কণ্ঠে বলেন, ‘আমিনুলের হার মেনে নেওয়ার মতো নয়। দলের প্রতি তার নিবেদন, মিরপুরের জনগণের প্রতি ভালোবাসা—সর্বোপরি খেলোয়াড় হিসেবে তার সাফল্য ও পরিচিতি কোনো কিছুতেই আমিনুলের হার কাম্য ছিল না। রাজনীতি আসলে জটিল জিনিস, কাছের কেউ সেভাবে কাজ করেনি বা সহযোগিতা করেনি।’

সংসদ সদস্য হিসেবে পরাজিত হলেও, আমিনুল হকের ক্রীড়ামন্ত্রী হওয়ার পথ রুদ্ধ হয়নি। দেশের সংবিধানে সংসদ সদস্য না হয়েও টেকনোক্রেট কোটায় মন্ত্রী হওয়ার বিধান রয়েছে। এই সুযোগটি কাজে লাগিয়েই আমিনুলকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান ক্রীড়াঙ্গনের বড় একটি অংশ।

জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের আহ্বায়ক ও দাবাড়ু নিয়াজ মোর্শেদ বলেন, ‘শুধু খেলোয়াড় বা জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে নয়, রাজনৈতিক নেতা হিসেবেও সে খুব যোগ্য। আমিনুল অত্যন্ত পরিশ্রম করেছে। এ মুহূর্তে ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে যোগ্য ব্যক্তি আমিনুলই। দল চাইলে তাকে টেকনোক্রেট হিসেবে মন্ত্রী করতেই পারে।’

গত এক দশকের বেশি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও জুলুমের শিকার হওয়া আমিনুলের ত্যাগকে মূল্যায়ন করার দাবি উঠেছে। বিপ্লব ভট্টাচার্য্য সবশেষ বলেন, ‘আমিনুল গত এক দশক যে পরিমাণ জুলুম-নিপীড়ন সহ্য করেছে যা অনেক শীর্ষ নেতাও করেননি। যোগ্যতা বিবেচনায় তাকে সম্মান দেওয়া উচিত। এতে দেশের ক্রীড়াঙ্গনই উপকৃত হবে।’

Link copied!