× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৫:৪৮ পিএম

মিলানো থেকে লস অ্যাঞ্জেলেস, যে আগুনের উত্তাপে কাঁপছে বিশ্ব

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৫:৪৮ পিএম

২৪ বছর পর আমেরিকার হয়ে সোনা জেতা অ্যালিসা লিউ। ছবি : সংগৃহীত

২৪ বছর পর আমেরিকার হয়ে সোনা জেতা অ্যালিসা লিউ। ছবি : সংগৃহীত

ইতালির মিলানো কর্তিনায় গত রোববার রাতে যখন বর্ণিল আলোকসজ্জা আর ঐক্যের শ্লোগানে শীতকালীন অলিম্পিকের পর্দা নামল, তখন সবার মনেই ছিল এক বিষণ্ণ মধুর সুর। অলিম্পিক মশাল নিভে গেছে, পতাকা হস্তান্তরিত হয়েছে ফরাসি আল্পসের হাতে। কিন্তু এই উৎসবের আবহেও ৬ হাজার মাইল পশ্চিমে, খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এক অন্যরকম উত্তাপের আঁচ পাওয়া যাচ্ছে।

মিলানো কর্তিনার এই গেমস যতটা না ছিল বরফের ওপর স্কিইং বা স্কেটিংয়ের, তার চেয়েও বেশি হয়ে দাঁড়িয়েছে আগাম রাজনীতির এক মহড়া। ২০২৮ সালে যখন লস অ্যাঞ্জেলেসে  গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের মশাল জ্বলবে, তখন বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গন কি কেবল পদকের লড়াই দেখবে, নাকি মার্কিন রাজনীতির চরম মেরুকরণের সাক্ষী হবে?

এবারের গেমসে আমেরিকান অ্যাথলেটরা দেখিয়েছেন যে, পতাকাকে কেবল উঁচিয়ে ধরা নয়, বরং সম্মানের সাথে বহন করার ভিন্ন এক ভঙ্গি আছে। 

ফিগার স্কেটিংয়ে ২৪ বছর পর আমেরিকার হয়ে সোনা জেতা অ্যালিসা লিউ ছিলেন এবারের আসরের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন। চীনের রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে পালিয়ে ক্যালিফোর্নিয়ায় নতুন জীবন গড়া বাবার এই কন্যা বুঝিয়ে দিয়েছেন—দেশপ্রেম মানে কোনো অন্ধ উন্মাদনা নয়, বরং সুযোগের সদ্ব্যবহার এবং কৃতজ্ঞতা।

অন্যদিকে, ক্লো কিম বা মিকায়েলা শিফরিনের মতো তারকারা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, দেশকে ভালোবাসা মানেই সরকারের প্রতিটি সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হওয়া নয়। অভিবাসন নীতি বা ঘরোয়া রাজনীতি নিয়ে যখন আমেরিকা উত্তাল, তখন অ্যাথলেটরা বুঝিয়ে দিলেন—ভিন্নমত পোষণ করা মোটেও দেশদ্রোহিতা নয়, বরং এটিই সত্যিকারের গণতন্ত্রের প্রমাণ।

উটাহ-র গভর্নর স্পেন্সার কক্স সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভ ঝেড়ে বলেছিলেন, অ্যাথলেটরা কেবল বাচ্চা ছেলেমেয়ে, ওদের খেলা নিয়ে প্রশ্ন করুন, রাজনীতি রাজনীতিবিদদের ওপর ছেড়ে দিন। কিন্তু বাস্তবতা কি তা বলছে?

ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো নেতারা অলিম্পিককেও দেখছেন তাদের রাজনৈতিক প্রচারণার অংশ হিসেবে। কানাডিয়ান প্রতিপক্ষকে ঘুষি মারার এআই-জেনারেটেড ভিডিও পোস্ট করা কিংবা অ্যাথলেটদের সাথে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বে জড়ানো—সবই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক হতে যাচ্ছে এক বিশাল রাজনৈতিক মঞ্চ।

২০২৮ সালের ১৪ জুলাই যখন এলএ অলিম্পিক শুরু হবে, তখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের বয়স হবে ৮২ বছর। ক্যালিফোর্নিয়ার মতো ডেমোক্র্যাট-প্রধান রাজ্যে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টের উপস্থিতি এক অদ্ভুত পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে। 

মাঠের খেলোয়াড়রা যখন বিশ্ব সম্প্রীতির কথা বলবেন, তখন রাজনীতির গ্যালারি থেকে কি বিভাজনের সুর ভেসে আসবে?

তবে সব বিতর্কের ঊর্ধ্বে অলিম্পিকের জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। এনবিসি জানিয়েছে, বেইজিং ২০২২-এর তুলনায় এবার দর্শক সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৯৪ শতাংশ। স্ট্রিমিংয়ের ক্ষেত্রেও হয়েছে সর্বকালের সব রেকর্ড ভঙ্গকারী ভিউয়ারশিপ।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!