× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ০৮:২২ পিএম

পাকিস্তানে সেনা অভিযানে ‘ভারত সমর্থিত’ ৪১ সন্ত্রাসী নিহত

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ০৮:২২ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশের হারনাই ও পাঞ্জগুর জেলায় চলমান গোয়েন্দা-ভিত্তিক অভিযানে (IBO) ৪১ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (ISPR) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (29 জানুয়ারি) পরিচালিত অভিযানে দুইটি পৃথক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্যদের লক্ষ্য করা হয়।

অভিযানের লক্ষ্য ছিল আফগান তালেবানের সঙ্গে সম্পর্কিত পাকিস্তানি ইসলামপন্থী নিষিদ্ধ গোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (TTP)-এর সন্ত্রাসীরা। পাকিস্তান সরকার এই সন্ত্রাসীদেরকে “ফিতনা-আল-খারেজি” এবং “ফিতনা-আল-হিন্দুস্তান” হিসেবে উল্লেখ করেছে।

সরকারি ব্যাখ্যা অনুযায়ী, “ফিতনা-আল-খারেজি” তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের সদস্যদের বোঝায়, আর “ফিতনা-আল-হিন্দুস্তান” ভারতের সমর্থিত সন্ত্রাসীদের বোঝাতে ব্যবহৃত হচ্ছে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, হারনাই জেলার উপকণ্ঠে “ফিতনা-আল-খারেজি” গোষ্ঠীর উপস্থিতির তথ্য পাওয়ার পর সেখানে একটি গোয়েন্দা অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনী গোপন আস্তানায় আক্রমণ চালায় এবং তীব্র গুলির বিনিময়ের পর ৩০ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়, যা পরবর্তীতে নিরাপত্তা বাহিনী ধ্বংস করেছে।

অন্যদিকে, পাঞ্জগুর জেলায় একটি পৃথক আইবিও অভিযানে “ফিতনা-আল-হিন্দুস্তান” গোষ্ঠীর ১১ জন ভারত-সমর্থিত সন্ত্রাসী ধ্বংস করা হয়। ISPR-এর বরাতে জানা যায়, নিহত সন্ত্রাসীরা পূর্বেও অসংখ্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। বিশেষ করে, গত ১৫ ডিসেম্বর পাঞ্জগুরে একটি ব্যাংক ডাকাতির সময় লুট হওয়া অস্ত্র, গোলাবারুদ ও অর্থ উদ্ধার করা হয়েছিল এই সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের শেষের দিকে পাকিস্তান সরকার ও তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি প্রত্যাহারের পর থেকে দেশটির সেনাবাহিনী ও পুলিশ লক্ষ্যবস্তু হয়ে ওঠেছে। বিশেষ করে খাইবার-পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তান প্রদেশে তাদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।

পাকিস্তান সরকার অভিযোগ করেছে, ভারতের সমর্থিত সন্ত্রাসীরা প্রতিবেশী আফগানিস্তানের ভেতর থেকে পাকিস্তানে হামলার পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ চালাচ্ছে। তবে কাবুলের তালেবান সরকার এবং নয়াদিল্লি এই অভিযোগ বারবার অস্বীকার করেছে।

Link copied!