× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ০৬:০১ পিএম

এপস্টেইনে বিল গেটসের নাম, সাবেক স্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ০৬:০১ পিএম

বিল গেটস ও মেলিন্ডা ফ্রেঞ্চ গেটস।ছবি: সংগৃহীত

বিল গেটস ও মেলিন্ডা ফ্রেঞ্চ গেটস।ছবি: সংগৃহীত

কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইন–সংক্রান্ত নতুন প্রকাশিত নথিতে সাবেক স্বামী বিল গেটসের নাম উঠে আসায় ব্যক্তিগত যন্ত্রণার কথা স্মরণ করেছেন মেলিন্ডা ফ্রেঞ্চ গেটস। তিনি বলেছেন, এই ঘটনা তার বিবাহিত জীবনের কষ্টদায়ক কিছু সময়কে আবার মনে করিয়ে দিয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনপিআর-এর ‘ওয়াইল্ড কার্ড’ পডকাস্টে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেলিন্ডা বলেন, এসব বিষয় সামনে এলে আমার জন্য খুব কঠিন হয়ে যায়। কারণ এতে আমার বিবাহিত জীবনের কষ্টদায়ক কিছু সময়ের কথা আবার মনে পড়ে যায়। যেসব প্রশ্ন এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে, সেগুলোর জবাব দিতে হবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের। এমনকি আমার সাবেক স্বামীকেও। এসবের উত্তর দেওয়ার দায়িত্ব তাদেরই, আমার নয়।

মেলিন্ডা বলেন, এত বছরের বিবাহিত জীবন থেকে বেরিয়ে আসতে পেরে তিনি এখন অনেক স্বস্তি বোধ করছেন। ২৭ বছরের দাম্পত্যজীবন শেষে ২০২১ সালে বিল ও মেলিন্ডা গেটসের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এপস্টেইন–সংক্রান্ত ৩০ লাখেরও বেশি পৃষ্ঠার নথি প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে বিল গেটসের নাম উল্লেখ রয়েছে। নথিতে দাবি করা হয়েছে, বিল গেটস যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে কোনো সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে বিল গেটসের মুখপাত্র এই অভিযোগকে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এপস্টেইনের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তোলা কোনো নারীই বিল গেটসের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো অনিয়মের অভিযোগ করেননি। নথিতে তার নাম থাকার অর্থ এই নয় যে তিনি কোনো অপরাধে জড়িত ছিলেন।

প্রকাশিত নথির মধ্যে ২০১৩ সালের ১৮ জুলাইয়ের দুটি ই-মেইল রয়েছে, যা এপস্টেইন খসড়া আকারে লিখেছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এগুলো কখনো বিল গেটসের কাছে পাঠানো হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত নয়। ই-মেইল দুটি এপস্টেইনের নিজস্ব অ্যাকাউন্ট থেকে পাঠানো হয়ে একই অ্যাকাউন্টে ফিরে এসেছে। এতে বিল গেটসের কোনো ই-মেইল ঠিকানা বা স্বাক্ষর নেই।

একটি ই-মেইলে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন থেকে পদত্যাগের মতো করে লেখা হয়েছে এবং দাবি করা হয়েছে যে, রুশ নারীদের সঙ্গে যৌন সম্পর্কের পর বিল গেটস কোনো সমস্যায় পড়েছিলেন এবং ওষুধ সংগ্রহ করতে হয়েছিল। অন্য ই-মেইলটি ‘প্রিয় বিল’ সম্বোধনে শুরু হয়ে বন্ধুত্বের ইতি টানায় ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে এবং যৌনবাহিত সংক্রমণ আড়াল করার চেষ্টার অভিযোগ তোলা হয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিচ্ছেদের আগে এপস্টেইনের সঙ্গে বিল গেটসের যোগাযোগ নিয়ে মেলিন্ডা অস্বস্তিতে ছিলেন। বিচ্ছেদের পর ২০১৯ সালে বিল গেটস মাইক্রোসফটের এক কর্মীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছিলেন।

মেলিন্ডা গেটসের এই মন্তব্য এপস্টেইন কেলেঙ্কারির নতুন নথি প্রকাশের পর বিল গেটসকে ঘিরে আলোচনাকে আরও তীব্র করেছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!