× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ০৯ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

পূর্বাঞ্চল প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ৯, ২০২৬, ০৬:২৪ এএম

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের গাছ পাচারের অভিযোগ

পূর্বাঞ্চল প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ৯, ২০২৬, ০৬:২৪ এএম

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের  গাছ পাচারের অভিযোগ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান থেকে সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে মূল্যবান গাছ কেটে পাচারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে উদ্যানের বিভিন্ন এলাকা থেকে সেগুন, আগর, আকাশমনি, চামলসহ নানা প্রজাতির গাছ কেটে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হচ্ছে। এ বিষয়ে গত ৩ জুন দৈনিক রূপালী বাংলাদেশে একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছিল। সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর নতুন করে আলোচনায় আসে বিষয়টি। গত রোববার সকালে মৌলভীবাজার থেকে আসা একদল গণমাধ্যমকর্মী লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের প্রধান ফটক-সংলগ্ন একটি মাটির রাস্তা ধরে প্রায় দুই কিলোমিটার ভেতরে গিয়ে অন্তত ১৫-১৬টি গাছের কাটা গোড়া দেখতে পান। একই সঙ্গে গভীর জঙ্গলে ঝড়ে উপড়ে পড়া প্রায় শতবর্ষী দুটি বড় সেগুন গাছও তাদের নজরে আসে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বন বিভাগের পর্যাপ্ত নজরদারির অভাবে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে বনাঞ্চল থেকে মূল্যবান গাছ কেটে পাচার করছে। এতে জাতীয় উদ্যানের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে লাউয়াছড়া বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. নাজমুল হক বলেন, ‘আমাদের নিয়মিত টহল কার্যক্রম রয়েছে। গাছ পাচারের কোনো সুযোগ নেই। কোথাও গাছ কাটার খবর পেলে তাৎক্ষণিক তদন্ত করা হয়। প্রতি মাসেই ৪ থেকে ৫টি মামলা দায়ের করা হচ্ছে। ঝড়ে উপড়ে পড়া গাছগুলো গভীর জঙ্গলে থাকায় সেগুলো সরিয়ে আনা বাস্তবসম্মত নয়।’

কমলগঞ্জের রাজকান্দি বন রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) প্রীতম বড়ুয়া বলেন, ‘রাজকান্দি রেঞ্জের আওতাধীন বনাঞ্চল অনেক বিস্তৃত। তুলনামূলকভাবে জনবল ও লজিস্টিক সহায়তা কম থাকলেও আমরা কাঠ ও বাঁশ চোরদের বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করছি। প্রতি মাসে ৫ থেকে ৬টি মামলা করা হয়।’

এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের গাছ কাটা কোনো অবস্থাতেই বরদাশত করা হবে না। অভিযোগ পাওয়া স্থানে বন বিভাগকে সঙ্গে নিয়ে সরেজমিন তদন্ত করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ পরিবেশবাদীদের মতে, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংরক্ষিত বনাঞ্চল। এখানে নির্বিচারে গাছ কাটা অব্যাহত থাকলে জীববৈচিত্র্য, পরিবেশগত ভারসাম্য এবং পর্যটন খাত মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে। তাই বন রক্ষায় কার্যকর নজরদারি বৃদ্ধি ও কঠোর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!