× UCB Sticker Card
রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

হীরেশ ভট্টাচার্য হিরো, মাধবপুর (হবিগঞ্জ)

প্রকাশিত: জুন ১৪, ২০২৬, ০৫:১১ এএম

সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর পাশে শিল্পপতি সৈয়দ শাফকাত

হীরেশ ভট্টাচার্য হিরো, মাধবপুর (হবিগঞ্জ)

প্রকাশিত: জুন ১৪, ২০২৬, ০৫:১১ এএম

সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর পাশে  শিল্পপতি সৈয়দ শাফকাত

সায়হাম গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সায়হাম নিট কম্পোজিট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ শাফকাত আহমেদ শুধু একজন সফল শিল্পপতিই নন, তিনি মানবকল্যাণমূলক কর্মকা-ের মাধ্যমেও মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। তার উদ্যোগে হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং বহু পরিবার স্বনির্ভর হওয়ার সুযোগ পেয়েছে।

বাবা হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সলের পরামর্শে তিনি দেশে ফিরে ব্যবসা পরিচালনার দায়িত্ব নেন। ব্যাবসায়িক কর্মকা-ের পাশাপাশি প্রায় ২৫ বছর ধরে তিনি বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।

একসময় চা-বাগান এলাকার শ্রমিকদের শিল্প-কারখানায় চাকরির সুযোগ ছিল খুবই সীমিত। সামাজিক ও অর্থনৈতিক নানা কারণে তারা মূলধারার কর্মসংস্থান থেকে পিছিয়ে ছিলেন। এই বাস্তবতা পরিবর্তনে সৈয়দ শাফকাত আহমেদ সরাসরি চা-বাগানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন এবং যোগ্য শ্রমিকদের শিল্প-কারখানায় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেন। ফলে বহু পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে এবং নতুন প্রজন্মের জন্য উন্মুক্ত হয়েছে উন্নত জীবনের সম্ভাবনা।

শুধু কর্মসংস্থান নয়, চা-বাগান এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নেও তিনি নিয়েছেন নানা উদ্যোগ। নিজস্ব অর্থায়নে ২৩টি চা-বাগানে সাবমার্সিবল টিউবওয়েল স্থাপন করে নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করেছেন। বিভিন্ন বাগানে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণে সহায়তা দিয়েছেন। বর্ষাকালে শ্রমিকদের কষ্ট লাঘবে তাদের মাঝে রেইনকোট বিতরণের উদ্যোগও গ্রহণ করেছেন। এ ছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে নিয়মিত সহযোগিতা প্রদান করছেন।

চা-বাগানের শ্রমিকরা জানান, অতীতে অনেকেই তাদের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে খুব কম মানুষই আন্তরিকভাবে কাজ করেছেন। সৈয়দ শাফকাত আহমেদ ব্যতিক্রম। তার প্রচেষ্টায় অনেক পরিবারের সন্তান এখন বিভিন্ন শিল্প-কারখানায় কাজ করে স্বাবলম্বী হয়েছে। এতে পরিবারগুলোর আর্থিক সংকট অনেকটাই দূর হয়েছে।

লস্করপুর ভ্যালির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পান বলেন, আগে সরকারি বিভিন্ন অনুদান ও সহায়তা বণ্টনের ক্ষেত্রে নানা অনিয়মের অভিযোগ ছিল। অনেক শ্রমিক প্রাপ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতেন। বর্তমানে সৈয়দ শাফকাত আহমেদের প্রচেষ্টায় অধিকাংশ শ্রমিক সরকারি সহায়তার আওতায় এসেছেন। গরু-ছাগল বিতরণ, নগদ অর্থ সহায়তা ও শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তিসহ বিভিন্ন সুবিধা সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!