বাংলাদেশের ৫৫তম জাতীয় বাজেট এলো এক অস্থির সময়ে। দেশে সদ্য গণতান্ত্রিক পরিবর্তন, বিশ্বজুড়ে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, ইরান যুদ্ধের জের ধরে জ্বালানি বাজারে টালমাটাল পরিস্থিতিÑ এই প্রতিকূল পরিবেশে বসে অর্থমন্ত্রী প্রস্তাব করেছেন দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট : ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। বাজেটের শিরোনামÑ ‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’Ñ নিজেই অনেক কথা বলে। নামের মধ্যে রয়েছে প্রতিশ্রুতি, আশাবাদ এবং রাজনৈতিক দর্শনের ছাপ। কিন্তু একটি বাজেট কেবল শিরোনামে নয়, বরাদ্দে, অগ্রাধিকারে এবং বাস্তবায়নের সক্ষমতায় বিচার্য। প্রশ্ন হলোÑ এই বিশাল বাজেট কি সাধারণ মানুষের জীবনে সত্যিকারের পরিবর্তন আনতে পারবে? নাকি সংখ্যার বাহার দেখিয়ে শেষমেশ অপূর্ণ প্রত্যাশার আরেকটি দলিল হয়ে থাকবে?
মোট ব্যয় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকাÑ এটি বিদায়ি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ১৯ শতাংশ বেশি এবং জিডিপির ১৩.৭ শতাংশ। সংখ্যাটা বড়, কিন্তু এর কাঠামো বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায় আসলে কতটা অর্থ সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছাবে। উন্নয়নব্যয় বনাম পরিচালনব্যয় মোট বাজেটের ৩৩.৭ শতাংশÑ অর্থাৎ ৩ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকাÑ উন্নয়নব্যয় হিসেবে রাখা হয়েছে। বিদায়ি বছরের তুলনায় এটি ৪৭ শতাংশ বেশি। এটি ইতিবাচক। উন্নয়নব্যয়ের অনুপাত বাড়ানো মানে রাস্তা, বিদ্যুৎ, হাসপাতাল, স্কুলÑ এই সব খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো। কিন্তু উল্টো পিঠেও একটি কঠোর বাস্তবতা আছে। মোট অনুন্নয়ন ব্যয়ের ২১ শতাংশেরও বেশিÑ অর্থাৎ ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকাÑ শুধু ঋণের সুদ পরিশোধে চলে যাবে। এত বড় অঙ্ক সুদ পরিশোধে গেলে প্রকৃত উন্নয়নে কতটুকু বাকি থাকে, সে হিসাব করাটা জরুরি।
সবচেয়ে আশার জায়গা হলো সামাজিক নিরাপত্তা খাত। ফ্যামিলি কার্ডসহ এই খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। সামাজিক অবকাঠামো খাতে মোট বরাদ্দ ২ লাখ ৭৯ হাজার কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের প্রায় ৩০ শতাংশ। অর্থনীতির ভাষায় এটিকে বলা হয় ‘ট্রান্সফার পেমেন্ট’Ñ অর্থাৎ সরকার সরাসরি দরিদ্র মানুষের হাতে অর্থ পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা। বাংলাদেশের মতো দেশে যেখানে নিচের ৪০ শতাংশ মানুষের আয় অত্যন্ত কম, সেখানে এই ধরনের সরাসরি সহায়তা অর্থনীতিতে চাহিদা বাড়ায়, ভোগ বাড়ায়, বাজারকে সচল রাখে। তবে প্রশ্ন হলোÑ ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পটি ঠিকমতো বাস্তবায়ন হবে কি? বাংলাদেশে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে তালিকাভুক্তির দুর্নীতি ও অনিয়ম দীর্ঘদিনের সমস্যা। প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে যদি অর্থ না পৌঁছায়, তা হলে বড় বরাদ্দেও লাভ নেই।
সাধারণ মানুষের কাছে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় সমস্যা কী জিজ্ঞেস করলে উত্তর আসবেÑ ‘জিনিসপত্রের দাম’। মে মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৪২ শতাংশ। ২০২৪ সালের মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা দশ মাস এটি ১০ শতাংশের ওপরে ছিল। অর্থমন্ত্রী আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে কর কমানো এবং দেশীয় শিল্পে সুরক্ষার উদ্যোগ এক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে। কিন্তু বাস্তবতা হলোÑ বাজেটের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। মূল্যস্ফীতি নির্ভর করে মুদ্রানীতি, সরবরাহ শৃঙ্খল, আন্তর্জাতিক বাজার এবং টাকার বিনিময় হারের ওপর। ইরান যুদ্ধের জেরে জ্বালানি তেলের দাম অস্থির। আমদানিনির্ভর বাংলাদেশে এই অস্থিরতা সরাসরি বাজারে এসে লাগে। ৭.৫ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন তাই সহজ নয়Ñ এটি নির্ভর করবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতির সঙ্গে বাজেটের সমন্বয়ের ওপর। বাজেটে তরুণ উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন সহায়তার ঘোষণা এবং ‘ক্রিয়েটিভ’ খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ ইতিবাচক। বাংলাদেশের জনমিতিক লভ্যাংশÑ বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীÑ একটি বিরাট সম্পদ, যদি তাদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা যায়। প্রতি বছর প্রায় ২০ লাখ মানুষ কর্মবাজারে প্রবেশ করছেন। এই বিশাল কর্মশক্তিকে উৎপাদনমুখী করতে না পারলে এই সুযোগ বোঝায় পরিণত হবে।
অর্থমন্ত্রী আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানো, ব্যবসা শুরুর অনুমোদন দ্রুত করা এবং একাধিক দপ্তরে বারবার তথ্য জমা দেওয়ার ঝামেলা কমানোর কথা বলেছেন। এটি নীতিগতভাবে সঠিক। বিশ্বব্যাংকের ঊধংব ড়ভ উড়রহম ইঁংরহবংং সূচকে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরেই পিছিয়ে। তবে এই ধরনের কাঠামোগত সংস্কার বাজেটে ঘোষণা করা এক কথা, বাস্তবে রূপ দেওয়া আরেক কথা। এটি নির্ভর করে প্রশাসনিক সদিচ্ছার ওপর, আমলাতান্ত্রিক প্রতিরোধ কাটিয়ে ওঠার ওপর। অতীতে এমন প্রতিশ্রুতি বহুবার দেওয়া হয়েছে, বাস্তবায়ন হয়েছে সীমিত। উল্লেখযোগ্য যে, করপোরেট কর হারে কোনো ছাড় দেওয়া হয়নি। বড় বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ এটি নিয়ে হতাশ হতে পারেন। তবে এই সিদ্ধান্তের যুক্তিও আছেÑ সরকারের রাজস্ব ঘাটতির প্রেক্ষাপটে করপোরেট কর কমালে রাজস্বে আরও চাপ পড়ত।
বাজেটের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দিক হলো রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা। ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রাÑ এটি বিদায়ি অর্থবছরের সংশোধিত লক্ষ্যের চেয়ে ১৮ শতাংশ বেশি। শুধু এনবিআরের মাধ্যমে আদায়ের লক্ষ্য ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি, যা ২০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি। এখন একটু পেছনে তাকাই। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এপ্রিল পর্যন্তÑ অর্থাৎ মাত্র দুই মাস বাকি থাকতেÑ রাজস্ব ঘাটতি ছিল ১ লাখ ৪ হাজার ৫৩৩ কোটি টাকা। বছর শেষে লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৬৪ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আগামী বছরে ২০ শতাংশ বেশি কর আদায় করার লক্ষ্যÑ এটি উচ্চাভিলাষী, বলা যায় প্রায় অবাস্তব। ভ্যাট থেকে লক্ষ্য ধরা হয়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার কোটিÑ গতবারের চেয়ে প্রায় ২৪ শতাংশ বেশি। আয়কর থেকে ২ লাখ ১৯ হাজার কোটিÑ গতবারের চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি। অর্থনীতির মৌলিক নিয়ম হলোÑ রাজস্ব আদায় অর্থনীতির গতির সঙ্গে সম্পর্কিত। যদি বিনিয়োগ না বাড়ে, কর্মসংস্থান না বাড়ে, ভোগ না বাড়েÑ তা হলে কর আদায়ও বাড়বে না। এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলে বাজেট বাস্তবায়নেই ধস নামবেÑ উন্নয়ন প্রকল্প আটকাবে, সামাজিক ব্যয় কাটছাঁট হবে।
বাজেট ঘাটতি ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকাÑ জিডিপির ৩.৬ শতাংশ। মোটামুটি গ্রহণযোগ্য সীমার মধ্যে, কারণ আন্তর্জাতিক মানদ-ে ৫ শতাংশের নিচে থাকাকে সাধারণত টেকসই মনে করা হয়। তবে অর্থায়নের পদ্ধতিতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আছে। অর্থমন্ত্রী চড়া সুদের অভ্যন্তরীণ ঋণ কমিয়ে বিদেশি উৎস থেকে ঋণ বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছেন। বিদেশি ঋণের লক্ষ্য গতবারের প্রায় দ্বিগুণÑ ১ লাখ ৫৫ হাজার কোটি টাকা। বিদেশি ঋণ সাধারণত কম সুদে পাওয়া যায়, তাই সুদ পরিশোধের চাপ কমে। কিন্তু বিদেশি ঋণের এত বড় লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নির্ভর করে বৈদেশিক সম্পর্ক, দাতা সংস্থার সন্তুষ্টি এবং বৈশ্বিক ঋণ বাজারের অবস্থার ওপর। ইরান যুদ্ধ, মার্কিন বাণিজ্য নীতির পরিবর্তনÑ এসব উপাদান অনিশ্চয়তা তৈরি করছে। আরেকটি দীর্ঘমেয়াদি উদ্বেগ হলোÑ বর্তমানে সুদ পরিশোধেই যাচ্ছে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা। এটি শিক্ষা বাজেটের চেয়েও বেশি হতে পারে। ঋণের বোঝা বাড়তে থাকলে ভবিষ্যতে উন্নয়নে বিনিয়োগের জায়গা সংকুচিত হয়ে আসবে।
বাংলাদেশের শিল্প খাতের সবচেয়ে বড় অভিযোগ বরাবরই জ্বালানি সংকট। বিদ্যুৎ না পেয়ে কারখানা বন্ধ রাখা, গ্যাস না পেয়ে উৎপাদন কমানোÑ এই চিত্র নতুন নয়। অর্থমন্ত্রী দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিকল্পনা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে প্রণোদনার কথা বলেছেন। এগুলো সঠিক দিকনির্দেশনা। তবে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়াÑ আজ শুরু করলে ফল মিলবে বছর পাঁচেক পর। নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বাংলাদেশ এখনো অনেক পিছিয়ে। সৌরশক্তির সম্ভাবনা বিশাল, কিন্তু বিনিয়োগ ও নীতি সহায়তা দরকার। ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশের আমদানিব্যয় বাড়বে, বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ বাড়বে, টাকার অবমূল্যায়ন হবে এবং সেখান থেকে আবার মূল্যস্ফীতি বাড়বে। এই চক্রটি ভাঙা বাজেটের সাধ্যের বাইরে।
অর্থমন্ত্রী ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির স্বপ্নের কথা বলেছেন। বর্তমানে বাংলাদেশের জিডিপি প্রায় ৪৫০-৪৮০ বিলিয়ন ডলার। আট বছরে দ্বিগুণের বেশি করতে হবে। এটি কি সম্ভব? অর্থনীতির হিসাবেÑ যদি গড়ে ৭-৮ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকে এবং টাকার অবমূল্যায়ন সীমিত থাকেÑ তা হলে তাত্ত্বিকভাবে সম্ভব। কিন্তু এর জন্য দরকার স্থিতিশীল বিনিয়োগ পরিবেশ, সুশাসন, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা। তুলনামূলক উদাহরণ হিসেবে ভিয়েতনামের কথা বলা যায়। একই রকম শুরু থেকে তারা এগিয়েছে ধারাবাহিক সংস্কার, বিনিয়োগবান্ধব নীতি এবং রপ্তানি বৈচিত্র্যায়নের মাধ্যমে। বাংলাদেশকেও সেই পথ ধরতে হবে।
সামগ্রিক মূল্যায়নে বাজেট কতটা জনমুখী তা কয়েকটি মানদ-ে বিচার করা যায়। বাজেটের ইতিবাচক দিক হলো সামাজিক নিরাপত্তায় বিশাল বরাদ্দ দরিদ্র মানুষের জন্য আশার কথা। উন্নয়নব্যয়ের অনুপাত বাড়ানো অবকাঠামো উন্নয়নে গতি আনতে পারে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে কর কমানো সাধারণ মানুষের কিছুটা স্বস্তি দেবে। তরুণ উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন সহায়তা নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়ক হতে পারে। বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ সুদের বোঝা কমানোর পরিকল্পনা বুদ্ধিমানের। আর উদ্বেগের বিষয় হলো রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অবাস্তবÑ এটি পূরণ না হলে পুরো বাজেট ধসে পড়বে। সুদ পরিশোধে বিশাল ব্যয় উন্নয়নের জায়গা সংকুচিত করছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ শুধু বাজেটে হয় না, সংশ্লিষ্ট মুদ্রানীতি ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনাও দরকার। বাস্তবায়ন সক্ষমতার প্রশ্নটি সবসময়ের মতোই অনুত্তরিত।
এই বাজেট একটি উচ্চাভিলাষী দলিল। এর মধ্যে জনকল্যাণের আন্তরিক প্রচেষ্টার ছাপ আছে, নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি রক্ষার চেষ্টা আছে এবং দীর্ঘমেয়াদি রূপান্তরের স্বপ্ন আছে। কিন্তু বাজেট ঘোষণা আর বাজেট বাস্তবায়নÑ এই দুটির মাঝে বাংলাদেশে সবসময়ই বিশাল ফাঁক থেকে গেছে। প্রতি বছরই দেখা যায়Ñ উন্নয়ন প্রকল্পের ৬০-৭০ শতাংশ অর্থ ব্যয় হয়, বাকিটা অব্যয়িত থেকে যায়। রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা বছর শেষে সংশোধন হয়ে ছোট হয়ে আসে। তাই সাধারণ মানুষের জীবনে এই বাজেট কতটা প্রভাব ফেলবে তা নির্ভর করবে তিনটি বিষয়ের ওপরÑ প্রথমত, রাজস্ব আদায়ে কতটা সাফল্য আসে। দ্বিতীয়ত, সামাজিক নিরাপত্তা বরাদ্দ সত্যিকারের উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছায় কিনা। তৃতীয়ত, বৈশ্বিক অস্থিরতা বাংলাদেশকে কতটা আঘাত করে। বাজেটের শিরোনামে ‘মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক’ কথাটি রয়েছে। এই প্রতিশ্রুতি কাগজে না থেকে মানুষের ঘরে পৌঁছালেই কেবল এই বাজেটকে সত্যিকারের জনমুখী বলা যাবে। সেটা দেখার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে আগামী বছরের জুন পর্যন্ত।
লেখক : প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন