× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২৩, ২০২৬, ০৬:০৭ এএম

ইউপি চেয়ারম্যান পদে স্নাতক শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে হাইকোর্টের রুল

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২৩, ২০২৬, ০৬:০৭ এএম

ইউপি চেয়ারম্যান পদে  স্নাতক শিক্ষাগত যোগ্যতা  নির্ধারণে হাইকোর্টের রুল

ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নিশ্চিত প্রশ্নে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল মঙ্গলবার রুল দেন। রুলের বিষয়টি গতকাল বুধবার জানান রিট আবেদনকারী আইনজীবী।

রুলে ইউনিয়ন পরিষদ আইনের ২৬ ধারার অধীনে ইউপি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা (অন্তত স্নাতক) নিশ্চিতের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

রিট ও রুলের বিষয় নিয়ে অন্যতম রিট আবেদনকারী আইনজীবী কাজী ফেরদৌসুল হাসান বলেন, ২০০৯ সালের ইউনিয়ন পরিষদ আইনের ২৬ ধারা অনুসারে একজন ব্যক্তি কোনো প্রকার শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়াই ইউপি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য প্রার্থী হতে পারেন। বিষয়টি সংবিধানের ৭, ২৭, ২৮, ৫৯, ৬০ অনুচ্ছেদের পরিপন্থি। এ ছাড়া গ্রাম আদালত আইনে একজন চেয়ারম্যানের বিচারিক ক্ষমতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হলে গতকাল আদালত রুল দেন।

স্থানীয় সরকারসচিব, আইনসচিব ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে বলে জানান আইনজীবী কাজী ফেরদৌসুল হাসান।

রিট আবেদনকারীদের ভাষ্য, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও অন্যান্য বিচারক জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন আইনের অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য তাদের ন্যূনতম আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হয়। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারার অধীনে দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদ- আরোপ করতে পারেন, যা ২০০৬ সালের গ্রাম আদালত আইনের অধীনে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের অর্থদ- আরোপের ক্ষমতার সমপর্যায়ের। অথচ ইউনিয়ন পরিষদ আইনের ২৬ ধারায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য কোনো ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়নি, যা স্বেচ্ছাচারী ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। শিক্ষাগত যোগ্যতার অভাব একজন চেয়ারম্যানকে তার ওপর অর্পিত আইনগত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনে অযোগ্য করে তুলতে পারে।

২০০৯ সালের অক্টোবরে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন প্রণয়ন করা হয়। আইনের ২৬ ধারায় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা বিষয়ে বলা আছে। তবে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে এই আইনের ২৬ ধারা ব্যর্থ উল্লেখ করে সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী গত সপ্তাহে রিটটি করেন। তারা হলেন আইনজীবী মো. তানভীর আহমেদ খান ও কাজী ফেরদৌসুল হাসান।

রিটে ইউনিয়ন পরিষদ আইনের ২৬ ধারার অধীন চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা (অন্তত স্নাতক) নিশ্চিতের নির্দেশনাও চাওয়া হয়। রিটটি শুনানির জন্য আদালতের গতকালের কার্যতালিকায় ২৪০ নম্বর ক্রমিকে ওঠে। রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী কাজী ফেরদৌসুল হাসান, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. রুহুল আমিন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খান জিয়াউর রহমান ও মাহফুজ বিন ইউসুফ।

রুলে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা (অন্তত স্নাতক) নির্ধারণে ব্যর্থ আইনের ২৬ ধারা গ্রাম আদালত আইনের এখতিয়ারের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও সংবিধানের কয়েকটি অনুচ্ছেদের

পরিপন্থি বলে কেন বেআইনি ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়েও জানতে চাওয়া হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!