আফগানিস্তানে দাড়ি পর্যাপ্ত বড় না থাকায় অন্তত ২০ জন ত্রাণকর্মীকে আটক করার অভিযোগ উঠেছে। পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হলেও এক মাসের মধ্যে দাড়ি বড় করার শর্ত দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দাতব্য সংস্থা। ঘটনাটি ঘটেছে ইরান-আফগানিস্তান সীমান্তের ইসলাম কালা এলাকায়। আটক হওয়া ব্যক্তিরা মূলত বিভিন্ন ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থাগুলোর হয়ে কাজ করছিলেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত শনিবার সীমান্ত এলাকার একটি গ্রহণকেন্দ্রে কর্মরত ত্রাণকর্মীদের মধ্যে যাদের দাড়ি ছোট ছিল বা যারা দাড়ি কামিয়েছিলেন, তাদের আটক করা হয়। কয়েকজনকে একই দিনে মুক্তি দেওয়া হলেও বাকিদের পরদিন ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে আফগানিস্তানের নৈতিকতা মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি।
হেরাত প্রদেশের নৈতিকতা পুলিশের পরিচালক জিয়াউদ্দিন তাঈয়েব ত্রাণকর্মীদের আটকের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, কোনো বেসরকারি সংস্থার কর্মীকে আটক করা হয়নি। বরং দাড়ি-সংক্রান্ত নিয়ম না মানায় কয়েকজন সরকারি কর্মচারীকে সাময়িকভাবে আটক করা হয়েছিল। অন্যদিকে একজন ত্রাণকর্মী জানিয়েছেন, সীমান্ত এলাকায় বিভিন্ন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২০ জন কর্মীকে আটক করে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ঘটনাটি দেশটির কঠোর সামাজিক বিধিনিষেধ ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, পোশাক ও দাড়ি সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা মানবিক সহায়তা কার্যক্রমেও প্রভাব ফেলতে পারে।

