ঢাকার ব্যস্ত নগরজীবন তখনো পুরোপুরি জেগে ওঠেনি। ভোরের আলো ফুটলেই মুসলমান ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। একদিকে ঈদের আনন্দ, অন্যদিকে রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের করিডরে কয়েকজন স্বজনের চোখে ছিল নতুন জীবনের স্বপ্ন। কেউ প্রথম সন্তানের মুখ দেখার অপেক্ষায়, কেউ আগের রাতের উদ্বেগ কাটিয়ে সুসংবাদের আশায়। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই স্বপ্ন পরিণত হয় শোকে। অক্সিজেনের স্বল্পতায় গত ২৭ মে ভোরে প্রাণ যায় হাসপাতালের এনআইসিইউতে চিকিৎসারত ছয় শিশুর। এ ঘটনায় হাসপাতালের ভেন্টিলেশন সিস্টেম থেকে শুরু করে অবকাঠামাগত দুর্বলতা, দায়িত্বরত কর্মীদের অবহেলার স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক গঠিত পৃথক তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে গত শুক্রবার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। সন্তোষজনক জবাব না পেলে হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলসহ সব ধরনের চিকিৎসা কর্মকা- বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানা গেছে। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিজেদের সাফাই গাইতে নামকাওয়াস্তে এক সংবাদ সম্মেলন করে দুঃখ প্রকাশ করে। কিন্তু সেখানে আদ্-দ্বীন কর্তৃপক্ষ নয়, বরং সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির বক্তব্য দেন। এমনকি ‘ম্যানেজ’ করে মৃত নবজাতকদের অভিভাবকদেরও সংবাদ সম্মেলনে হাজির করা হয়। যারা দোষীদের শাস্তি দাবি করলেও হাসপাতাল চালু রাখার সুপারিশ করেন সংবাদ সম্মেলনে। এতে করে ‘অদৃশ্য’ সমঝোতার আশঙ্কা করছে সচেতন মহল।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে অল্প সময়ের ব্যবধানে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা শুধু সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোকে নয়, পুরো দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। কী ঘটেছিল সেই কয়েক ঘণ্টায়? কেন একই ইউনিটে থাকা একাধিক শিশুর মৃত্যু হলো? এটি কি চিকিৎসাগত জটিলতা, নাকি ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতা? সেসব প্রশ্নের জবাব মিলেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে। এসব প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে গত ২৭ মে ভোরে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পর্যবেক্ষণে থাকা ছয় নবজাতকের মৃত্যুর কারণ খুঁজতে তদন্ত কমিটি মূলত ছয়টি বিষয় পর্যালোচনা করেছে। প্রথমত, খতিয়ে দেখা হয়েছে যে পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডটি অপারেশন-পরবর্তী রোগী ও নবজাতক শিশুদের জন্য যথোপযুক্ত ছিল কি না। কমিটি দেখতে পেয়েছে, ওয়ার্ডটি চারদিক থেকে আবদ্ধ এবং বাইরে থেকে আলো-বাতাস প্রবেশের সুযোগ ছিল না। আরও দুটি কক্ষ পার হয়ে ওই ওয়ার্ডে ঢুকতে হয়। ভেতরের পরিবেশ গুমোট, এসি যথেষ্ট পুরোনো এবং কক্ষের আয়তনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। প্রায় ৯০০ বর্গফুটের ওয়ার্ডে ৫ টনের এসি যথেষ্ট নয় বলে মনে করেছে তদন্ত কমিটি। পর্যাপ্ত আলো-বাতাস না থাকায় এবং এসি রাত ২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত বন্ধ থাকায় নবজাতকদের স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় মৃত্যুঝুঁকি তৈরি হয় বলে মনে করছে তদন্ত কমিটি।
দ্বিতীয় বিষয়টি ছিল অস্ত্রোপচার বা সিজার প্রক্রিয়ায় জন্ম নেওয়া নবজাতকদের প্রসব-পরবর্তী বিশেষ চিকিৎসা বা ইনিকিউবেটরে স্থানান্তর করা হয়েছিল কি না। এ ছাড়া, নবজাতকদের জন্য সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের কোনো বিশেষ পরামর্শ ছিল কি না, তাও পর্যালোচনা করা হয়েছে। এ বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সব ধরনের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্ত কমিটি। তারা দেখেছে, মৃত নবজাতকেরা অপারেশনের পর চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে শারীরিকভাবে সুস্থ ও স্বাভাবিক ছিল। প্রসব-পরবর্তী জটিলতায় কাউকে ইনকিউবেটরে নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি। এ ছাড়া, কোনো শিশুর জন্যই শারীরিক ত্রুটিজনিত চিকিৎসকের বিশেষ নির্দেশনা বা পরামর্শ ছিল না। তৃতীয়ত, দেখা হয়েছে যে ওই ওয়ার্ডের জন্য কোনো চিকিৎসক বা বিশেষায়িত চিকিৎসক দায়িত্বরত ছিলেন কি না। তদন্ত কমিটি নথিপত্র বিশ্লেষণ করে দেখেছে, ঘটনার সময় সংশ্লিষ্ট পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা প্রায় ৫০ জন রোগীর জন্য দায়িত্বরত কোনো চিকিৎসক ছিলেন না। এ ছাড়া, শিশুরা অসুস্থ হওয়া থেকে শুরু করে ভোর ৬টায় মুমূর্ষু অবস্থায় যাওয়া পর্যন্ত কোনো চিকিৎসককে ডাকা হয়নি এবং কোনো চিকিৎসক তাদের দেখতে যাননি। চতুর্থ পর্যালোচনার বিষয় ছিল মৃত নবজাতকদের শারীরিক অবস্থা কেমন ছিল।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ^াস রূপালী বাংলাদশেকে বলেন, ছয় নবজাতকের সবাই জন্মের পর ওই হাসপাতালে চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে সুস্থ ছিল। হাসপাতালের রেকর্ডে নবজাতকদের শারীরিক ত্রুটিজনিত বিশেষ কোনো নির্দেশনার উল্লেখ ছিল না বলে প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। মৃত্যুর আগে নবজাতকদের অস্বাভাবিক শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিলে দায়িত্বরত চিকিৎসক, নার্স ও অন্য স্টাফদের ভূমিকা কী ছিল, তা দেখা হয়েছে। বিষয়টি যাচাই করতে তদন্ত কমিটি হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য বিশ্লেষণ করেছে। এ ক্ষেত্রে দেখা গেছে, আদ্্-দ্বীন হাসপাতালের ওই ওয়ার্ডে চিকিৎসক অনুপস্থিত ছিলেন। নার্সদের দায়িত্ব পালনে গাফিলতি ও হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীন আচরণের প্রমাণও পাওয়া গেছে। সুস্থ নবজাতকদের হঠাৎ করে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে হাসপতাল কর্তৃপক্ষ, নিয়োজিত চিকিৎসক বা সেবিকাদের পক্ষ থেকে কোনো দায়িত্বশীল আচরণের প্রমাণ পায়নি তদন্ত কমিটি। শুধু তাই নয়, হাসপাতালের পরিবেশ ও নিবন্ধনসংক্রান্ত তথ্যও পর্যালোচনা করেছে তদন্ত কমিটি। সেখানে হাসপাতালের অবকাঠামো ৭০০ বেডের হাসপাতাল হিসেবে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার জন্য যথোপযুক্ত নয়। এ ছাড়া হাসপাতালের ভেতরে একটি বেকারি রয়েছে, যা সংগত নয় বলে মনে করছে তদন্ত কমিটি। সব মিলিয়ে ওয়ার্ডটি কোনোভাবেই পোস্ট-অপারেটিভ সেবা দেওয়ার জন্য উপযুক্ত নয় বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (রোগনিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক হালিমুর রশিদ। কমিটি বৃহস্পতিবার প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। আমরা মনে করছি এটি নিশ্চিতভাবে ফৌজদারি অপরাধ। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে মামলা হয়েছে। আবেগের কারণে ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনেরা শিশুদের মরদেহ নিয়ে গেছেন। আসামিরা আইনি সুযোগ হিসেবে এটাকে ব্যবহার করার চেষ্টা করতে পারে। তবে এটি রাতের আঁধারে ঘটা কোনো গোপন ঘটনা নয়, এটি শতভাগ প্রমাণিত সত্য। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আদালত আসামিদের কোনো ছাড় দেবেন না। হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলসহ চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।
স্বপ্ন থেকে শোক : নবজাতকের জন্ম সাধারণত একটি পরিবারের সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্ত। কিন্তু যেসব পরিবার সন্তানকে নিয়ে ঘরে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তাদের অনেকেই হাসপাতাল থেকে ফিরেছেন ছোট্ট সাদা কাফন হাতে। একজন স্বজনের ভাষ্য অনুযায়ী, রাতভর চিকিৎসকদের আশ্বাস ছিল শিশুর অবস্থা স্থিতিশীল। কিন্তু সকাল গড়ানোর আগেই পরিস্থিতি বদলে যায়। একের পর এক শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ে। কিছুক্ষণের মধ্যেই আসে মৃত্যুসংবাদ। হাসপাতালের বাইরে তখন কান্না, আহাজারি আর অসংখ্য প্রশ্ন। তিনি বলেন, আমাদের সন্তানকে সুস্থ বলেছিল। হঠাৎ কী হলো যে মারা গেল, আমরা কেউই বুঝতে পারছিলাম না? তবে গতকাল শনিবার আদ্-দ্বীন হাসপাতালের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মৃত নবজাতকদের এক অভিভাবকই যার নাম হাবিবুর রহমান, তিনি দোষীদের শাস্তি দাবি করলেও আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সেবা চালু রাখার সুপারিশ করেন। কিন্তু তিনি ঠিক কার শাস্তি দাবি করেন তার সঠিক উত্তর দিতে পারেননি। এতে করে ‘অদৃশ্য’ কোনো আঁতাতে মৃত শিশুদের অভিভাবকদের ম্যানেজ করে ফেলা হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।
ঘটনাস্থল : এনআইসিইউ কি নিরাপদ ছিল? নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা এনআইসিইউ হলো হাসপাতালের সবচেয়ে সংবেদনশীল বিভাগগুলোর একটি। এখানে থাকা শিশুদের অধিকাংশই সময়ের আগে জন্ম নেওয়া, কম ওজনের বা জটিল স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত। বিশেষজ্ঞদের মতে, এনআইসিইউতে সামান্য বিদ্যুৎ-বিভ্রাট, অক্সিজেন সরবরাহে বিঘœ, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সমস্যা কিংবা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতাও প্রাণঘাতী হতে পারে। কিন্তু এতে সামান্য দুঃখ প্রকাশ করেই ক্ষান্ত দিয়েছে আদ্-দ্বীন কর্তৃপক্ষ। পাল্টা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর শোকজকে সম্পূর্ণ বেআইনি দাবি করে ওই সংবাদ সম্মেলনে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির বলেন, ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব না দিলে লাইসেন্স বাতিলের যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণ বেআইনি। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে গত বৃহস্পতিবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া কারণ দর্শানোর যে নোটিস দেওয়া হয়েছে, সেটার জবাব আগামীকাল রোববার (আজ) বিকেল ৫টার মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রদান করা হবে। কিন্তু জবাবের বিষয় সন্তোষজনক না হলে কেন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল হবে না, তা জানতে চাওয়া হয় নোটিশে; যা সম্পূর্ণ বেআইনি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির রিপোর্টের সারমর্মের বিষয়ে শিশির মনির বলেন, শিশুদের মৃত্যুর কারণ হিসেবে ওয়ার্ডে অক্সিজেনের স্বল্পতা ও কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। কিন্তু ওই ওয়ার্ডে অক্সিজেনের মাত্রা কতটুকু ছিল, কার্বন ডাই-অক্সাইড কী পরিমাণে ছিল, সেটার সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। আরেকটি প্রশ্ন, কতটুকু অক্সিজেন থাকলে শিশুর মৃত্যু ঘটবে না, সে বিষয়েও সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা নেই। এখানে অস্পষ্টতা থেকে যায়। এই নোটিসের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি জানান, এ ঘটনায় পেশাগত অবহেলার দায়ে দুজন নার্সকে সাময়িক বরখাস্ত করা এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে আজীবন সহায়তাসহ সম্মানজনক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে আদ্-দ্বীন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আল্টিমেটাম : হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যাই বলুক না কেন, এই ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, তার কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে। আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গত শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে আমরা আদ্-দ্বীন হাসপাতালে নোটিস পাঠিয়েছি। কেন তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। আমরা এই হাসপাতালের বিষয়ে সম্পূর্ণ আইনি ব্যবস্থা নেব। শোকজের সন্তোষজনক জবাব না দিলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা আইনের বাইরে যাব না। লাইসেন্স বাতিল করাও অস্বাভাবিক কিছু না।

