ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

জুলাই সনদ ও গণভোট নিয়ে রুল শুনানি ১৭ জুন

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মে ১৯, ২০২৬, ০৫:৩৮ এএম

জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং ২০২৫ সালের গণভোট অধ্যাদেশের ৩ ধারা ও তপশিল প্রশ্নে রুল শুনানির জন্য আগামী ১৭ জুন দিন নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল সোমবার রুল শুনানির জন্য এ দিন নির্ধারণ করেন।

রুল শুনানির জন্য আগামী ১৭ জুন দিন নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী ও দলটি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী এবং দলটি থেকে নির্বাচিত ৬৬ জন সংসদ সদস্য এ–-সংক্রান্ত রিটে ব্যক্তিগতভাবে বিবাদী হিসেবে গত সপ্তাহে পক্ষভুক্ত হয়েছেন।

এদিকে জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং ২০২৫ সালের গণভোট অধ্যাদেশের ৩ ধারা ও তপশিলের বৈধতা নিয়ে করা পৃথক রিটে বিবাদী হিসেবে পক্ষভুক্ত হতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আবেদন করেছে। বিষয়টি শুনানির অপেক্ষায় বলে জানিয়েছেন এনসিপির আইনবিষয়ক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মুসা। এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং ২০২৫ সালের গণভোট অধ্যাদেশের ৩ ধারা ও তপশিলের বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী মো. রেদোয়ান-ই-খোদা গত ২৩ ফেব্রুয়ারি একটি রিট করেন।

জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ এবং এর আলোকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্যের শপথের জন্য দেওয়া চিঠির বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী গাজী মো. মাহবুব আলম গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে আরেকটি রিট করেন। পৃথক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ৩ মার্চ হাইকোর্ট রুল দেন। প্রথম রিটের পরিপ্রেক্ষিতে দেওয়া রুলে ২০২৫ সালের গণভোট অধ্যাদেশের ৩ ধারা ও তপশিল কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং বাতিল ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। অধ্যাদেশের ৩ ধারায় গণভোটের চারটি প্রশ্ন উল্লেখ রয়েছে। আর তপশিলে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে, এমন ৩০টি বিষয় উল্লেখ রয়েছে। আইনসচিব, মন্ত্রিপরিষদসচিব, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখ্য সচিবকে চার সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়।