দেখতে দেখতেই শেষপ্রান্তে পৌঁছে গেছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ। বাকি আর মাত্র একটি ম্যাচ। ইতোমধ্যে ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। আগামী রোববার দিবাগত রাত ১টায় শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ স্পেন। অন্যদিকে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স।
বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য থাকছে বিশাল অঙ্কের অর্থ পুরস্কার। তবে শুধু বিজয়ী দলই নয়, টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া প্রতিটি দলই ফিফার কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য প্রাইজমানি পাবে।
এবারের বিশ্বকাপে মোট প্রাইজমানি নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১০ হাজার ৭৪৬ কোটি টাকা)। এটি ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় প্রায় ৬৫ শতাংশ বেশি, যা ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
মোট অর্থের মধ্যে ৬৫৫ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হবে দলগুলোর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে। আর ২১৬ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হবে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর প্রস্তুতি, ভ্রমণ ও লজিস্টিকস সহায়তায়।
বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করা প্রতিটি দলই ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার নিশ্চিতভাবে পাবে। এর মধ্যে ১০ মিলিয়ন ডলার কোয়ালিফিকেশন ফি এবং ২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার ভ্রমণ ও লজিস্টিকস খাতে বরাদ্দ।
কোন দল কত টাকা পাবে?
চ্যাম্পিয়ন : মোট ৬২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার (পারফরম্যান্স বোনাস ৫০ মিলিয়ন + অংশগ্রহণ ও প্রস্তুতি বাবদ ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন)।
রানার্স-আপ : মোট ৪৫ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার।
তৃতীয় স্থান : মোট ৪১ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার।
চতুর্থ স্থান : মোট ৩৯ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার।
কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়া দল : প্রতিটি ৩১ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার।
শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়া দল : প্রতিটি ২৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার।
নকআউটের প্রথম ধাপে (রাউন্ড অব ৩২) বিদায় নেওয়া দল : প্রতিটি ২৩ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার।
গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেওয়া দল : প্রতিটি ২১ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার।
খেলোয়াড়রা কী এই অর্থ সরাসরি পান?
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, এই অর্থ সরাসরি খেলোয়াড়দের হাতে দেওয়া হয় না। পুরো অর্থ সংশ্লিষ্ট দেশের ফুটবল ফেডারেশনের তহবিলে জমা হয়। পরে ফেডারেশন নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী সাধারণত ২০ থেকে ৩০ শতাংশ অর্থ খেলোয়াড়দের বোনাস হিসেবে বিতরণ করে।

