ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাসকে ঘিরে ফের পুরোনো গুঞ্জন মাথাচাড়া দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকসহ নানা প্লাটর্ফমে ছড়িয়ে পড়েছে, তিনি নাকি সিঙ্গাপুরে গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি এই অভিনেত্রী।
এদিকে, অপু বিশ্বাসের দ্বিতীয় বিয়ের গুঞ্জনের মধ্যেই একটি সাক্ষাৎকারে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন ফ্যাশন কোরিওগ্রাফার গৌতম সাহা।
তিনি জানান, বিয়ের খবরটি তিনিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকেই জেনেছেন। তবে এর সত্যতা সম্পর্কে তার কাছে কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই।
গৌতম সাহা বলেন, খবরটি সত্য হলে তিনি অপু বিশ্বাসকে শুভেচ্ছা জানাবেন। আর যদি এটি শুধুই গুঞ্জন হয়ে থাকে, তাতেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। তার ভাষায়, অপু বিশ্বাস নিজের যোগ্যতা ও আত্মবিশ্বাসে জীবনকে সুন্দরভাবে এগিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা রাখেন।
সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, শাকিব খানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর অপু বিশ্বাস মানসিকভাবে কঠিন সময় পার করেছিলেন। সে সময় তিনি অপু বিশ্বাসের পাশে ছিলেন, নিয়মিত কথা বলে সাহস জুগিয়েছেন এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে উৎসাহ দিয়েছেন।
তবে একপর্যায়ে তৃতীয় একজনের হস্তক্ষেপে তাদের সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয় বলেও দাবি করেন গৌতম সাহা। যদিও সেই ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেননি তিনি। বর্তমানে অপু বিশ্বাসের সঙ্গে তার আগের মতো যোগাযোগ নেই বলেও জানান এই ফ্যাশন কোরিওগ্রাফার।
অন্যদিকে, অপু বিশ্বাসের দ্বিতীয় বিয়ের গুঞ্জনকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন অভিনেত্রীর কোরিওগ্রাফার মাহফুজ কাদরী।
তিনি বলেন, ‘গৌতম সাহা অনেক বছর ধরেই অপু বিশ্বাসের সঙ্গে কাজ করছেন না। এমন একটি বিষয়ে মন্তব্য না করাই তার জন্য ভালো হতো। কারণ, তিনি অপু বিশ্বাসের বর্তমান ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে অবগত নন।’
মাহফুজ কাদরী আরও জানান, কাজের প্রয়োজনে অপু বিশ্বাসকে প্রায়ই দেশের বাইরে যেতে হয়। ছেলে আব্রাহাম খান জয়কে নিয়ে কোথাও ভ্রমণে গেলে সেটিও শাকিব খান ও তার পরিবারের জানা থাকে।
তার ভাষ্য, অপু বিশ্বাস এখন পুরোপুরি ছেলে জয় এবং নিজের ক্যারিয়ার নিয়েই ব্যস্ত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে দ্বিতীয় বিয়ের গুঞ্জন ছড়িয়েছে, তার কোনো সত্যতা নেই। এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিলে অপু বিশ্বাস নিজেই সবার সঙ্গে বিষয়টি ভাগ করে নেবেন।”
উল্লেখ্য, দ্বিতীয় বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেননি অপু বিশ্বাস। ফলে বিষয়টি এখনো গুঞ্জন হিসেবেই রয়ে গেছে।

