জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সদ্য নিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেল ৪টা ৩৪ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘ভিডিও ধারণের সময় দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে দাবি না করে, ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে দাবি করা নিশ্চয়ই বিরোধীদলের ফতোয়া মোতাবেক ইসলামিক?’
তিনি আরও জানতে চান, ‘এই এমপিকে কি মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে ইমপিচমেন্টের জন্য প্রস্তাব উত্থাপন করবেন, নাকি তাকে দায়মুক্তি দেওয়ার জন্য শিগগিরই ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে বিবৃতি দেবেন?’
রাশেদ খাঁন তার পোস্টে আরও লেখেন, ‘সবকিছুর জন্য আমাদের, আপনাদের অপেক্ষা করতে হবে। নিশ্চয়ই দলের গঠনতন্ত্রে উল্লেখিত শরিয়া আইনের ভিত্তিতেই মাননীয় এমপি মহোদয়ের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা।’
পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, ‘মাননীয় রাহবারের (পথপ্রদর্শকের) ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখুন।’
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিও নিয়ে আলোচনা শুরু হলে গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, ভিডিওতে থাকা নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। তার এই বক্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। রাজনৈতিক মহলেও এ নিয়ে চলছে নানা প্রতিক্রিয়া ও বিতর্ক।

