× UCB Sticker Card
সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

স্পোর্টস প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৫, ২০২৬, ০৫:৪২ এএম

হোয়াইটওয়াশ মিস  টাইগারদের, সান্ত্বনার  জয় অজিদের

স্পোর্টস প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৫, ২০২৬, ০৫:৪২ এএম

হোয়াইটওয়াশ মিস  টাইগারদের, সান্ত্বনার  জয় অজিদের

প্রথম দুই ম্যাচ জিতে আগেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করে রেখেছিল টাইগাররা। তাই সিরিজের তিন নম্বর ও শেষ ম্যাচটি ছিল নিয়ম রক্ষার। হিসাব-নিকাশ এমন হলেও বাংলাদেশের লক্ষ্য যে জয় ছাড়া অন্য কিছু ছিল না, তা বোঝা গেছে মাঠে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের শারীরিক ভাষায়। শেষ ওভার পর্যন্ত জয়ের জন্য প্রাণপণ খেলেছেন শান্তরা। তবে লক্ষ্য পূরণ হয়নি। অন্যদিকে মাত্র ১ উইকেটের এই জয় দিয়ে টানা দুই ম্যাচ পরাজয়ের ক্ষতস্থানে কিছুটা হলেও স্বস্তি-সান্ত¡নার মলম মেখেছে সফরকারী দল ওয়ানডেতে বিশ^চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। 

গতকাল রোববার মিরপুরে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। সেই সিদ্ধান্তকে পুরোপুরি কাজে লাগান স্বাগতিক ব্যাটাররা। ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ২৭৪ রান জমা করেন তারা। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ৯ উইকেটে ৩ বল হাতে রেখে ২৭৭ রান করে অজিরা। 

এদিন শেষদিকে ম্যাচটা জমিয়ে তুলেছিলেন বাংলাদেশি পেসার শরিফুল ইসলাম। একাই ৬ উইকেট তুলে নিয়ে অজি শিবিরে ধস নামিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ২২ বছর বয়সি কুপার কনোলির দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে (১৪৯ রান) ভেস্তে গেছে অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করার স্বপ্ন। 

বাংলাদেশ দল গতকাল লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয় ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ফিফটিতে ভর করে বড় পুঁজি পায়। কিন্তু সেই সংগ্রহ কনোলির দৃঢ় প্রতিরোধের সামনে টিকতে পারেনি। ৪৯.৩ ওভারে এক উইকেট হাতে রেখেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া।

ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। প্রথম ওভারেই সৌম্য সরকারকে হারানোর পর তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি বড় হয়নি। ৬১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে স্বাগতিকরা।

সেই সংকট থেকে দলকে টেনে তোলেন লিটন ও তাওহীদ হৃদয়। চতুর্থ উইকেটে ৯২ রানের জুটি গড়ে ইনিংসের ভিত গড়ে দেন তারা। ইনিংসের মাঝপথে চোটে মাঠ ছাড়লেও পরে ফিরে এসে মিরপুরে নিজের প্রথম ওয়ানডে ফিফটি পূর্ণ করেন লিটন। ৫৮ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। এই ম্যাচে হৃদয় খেলেন ৮৩ রানের দারুণ ইনিংস। পরে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও দ্রুতগতির অর্ধশতক তুলে নেন। তার অপরাজিত ৫৬ রানের ইনিংসে ২৭৪ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।

রান তাড়ায় শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল অস্ট্রেলিয়া। তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমানের ওপর চড়াও হয়ে প্রথম চার ওভারে ৩৮ রান তুলে নেয় অজিরা। এ সময় আক্রমণে এসে ম্যাচের মোড় ঘোরানোর চেষ্টা করেন শরিফুল। নিজের প্রথম ওভারেই জশ ইংলিস ও ম্যাট রেনশোকে ফিরিয়ে দেন এই বাঁহাতি পেসার। এক ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। পরে তাসকিন আহমেদ অ্যালেক্স ক্যারিকে ফিরিয়ে দেন আর আশায় বুক বাঁধে বাংলাদেশ।

স্বাগতিকদের সেই আশায় জল ঢেলে দেন কুপার কনোলি। মার্নাস লাবুশেনকে সঙ্গে নিয়ে ৬৪ রানের জুটি গড়েন তিনি। লাবুশেন ধীরগতিতে খেললেও কনোলি ছিলেন আগ্রাসী। চার-ছক্কায় রানের চাকা সচল রেখে ৫১ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন ২২ বছর বয়সি এই ওপেনার। এরপর আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠেন তিনি। লাবুশেন ফিরলেও তার ব্যাট ছিল সচল। ক্যামেরন গ্রিনকে নিয়ে জুটি গড়ে ফের ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেন। একপর্যায়ে মাত্র ৮৭ বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন এই তরুণ ব্যাটার।

গ্রিন ২৭ রান করে ফিরলেও ততক্ষণে ম্যাচ অস্ট্রেলিয়ার নিয়ন্ত্রণে। পরে পাকিস্তানের বিপক্ষে অভিষিক্ত ১৯ বছর বয়সি অলিভার পিকও ২৭ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন। শেষদিকে অবশ্য একাই লড়াই চালিয়ে যান শরিফুল। পরপর দুই বলে অলিভার পিক ও জাভিয়ার বার্টলেটকে ফিরিয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফারের দেখা পান তিনি। এরপর আরও একটি উইকেট নিয়ে ম্যাচে মোট ৬ উইকেট শিকার করেন বাঁহাতি এই পেসার। 

বাংলাদেশের হয়ে শরিফুল ইসলাম একাই নেন ৬ উইকেট। এ ছাড়া তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও শেখ মেহেদী হাসান একটি করে উইকেট শিকার করেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

বাংলাদেশ : ৫০ ওভারে ২৭৪/৪ (সৌম্য ২, তানজিদ ১৯, শান্ত ২৪, লিটন ৫৮*, হৃদয় ৮৩, মোসাদ্দেক ৫৬*, মেহেদি ৩; বার্টলেট ৮-০-৪৭-২, মেরেডিথ ৭-০-৪১-০, ডোয়ার্শাস ৮-০-৫৫-১, গ্রিন ৬-২-১৮-০, রেনশ ৯-০-৪৪-২, জ্যাম্পা ১০-০-৪৮-০, লাবুশেন ২-০-১০-০)

অস্ট্রেলিয়া : ৪৯.৩ ওভারে ২৭৭/৯ (কনোলি ১৪৯, ইংলিস ২১, রেনশ ০, কেয়ারি ৮, লাবুশেন ২৯, গ্রিন ২৭, পিক ২৭, বার্টলেট ০, ডোয়ার্শাস ৪, জ্যাম্পা ৪*, মেরেডিথ ২*; তাসকিন ৭.৩-১-৫৯-১, মুস্তাফিজ ৯-০-৫৬-১, শরিফুল ১০-১-৪৮-৬, মেহেদি ১০-১-৩৭-১, তানভির ৭-০-৩৮-০, তানভির ৭-০-৩৮-০, মোসাদ্দেক ৬-০-৩৬-০)

প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ : কুপার কনোলি। 
প্লেয়ার অব দ্য সিরিজ : মোসাদ্দেক হোসেন।
 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!