× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

আহাদ তালুকদার, আগৈলঝাড়া (বরিশাল)

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ০৬:১৮ এএম

খালে পানি সংকটে কৃষকের কপালে চিন্তার ভাঁজ

আহাদ তালুকদার, আগৈলঝাড়া (বরিশাল)

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ০৬:১৮ এএম

খালে পানি সংকটে কৃষকের  কপালে চিন্তার ভাঁজ

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে ইরি-বোরো ধানের চারা রোপণ শেষ হলেও খালে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের অধিকাংশ শাখা খালে চাষিদের চাহিদা অনুযায়ী পানি মিলছে না। সামনে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। এ আশঙ্কায় কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার রাজিহার-রাংতা-কুমারভাঙ্গা এলাকায় প্রায় ৫ কিলোমিটারজুড়ে রাংতা মন্দির সংলগ্ন ব্লক, গঙ্গাস্নান ব্লক, পাকাড্রেন ব্লক, কালিখোলা ব্লক, পূর্বপাড়া ব্লক, মইজদ্দিনের ব্লক, চলাইরপার ব্লকসহ ছোট-বড় মোট ১১টি ইরি-বোরো ব্লক রয়েছে। এসব ব্লকে প্রায় ১ হাজার ৪শ একর জমিতে বোরো আবাদ হচ্ছে, যার ওপর নির্ভরশীল প্রায় ৩ হাজার ৩০০ কৃষক।

ইতোমধ্যে টিপি ও মৌসুমী চাষিরা জমিতে বোরো ধানের চারা রোপণ সম্পন্ন করেছেন। তবে খালে কচুরিপানা জমে থাকা এবং তিনটি স্থানে নতুন ব্রিজ নির্মাণকালে ঠিকাদারের দেওয়া মাটির বাঁধ অপসারণ না করায় পানি চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। নির্মাণকাজ শেষ হলেও বাঁধ সরানো না হওয়ায় খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে পড়েছে। পানি সংকটে ধানের জমি রক্ষায় স্থানীয় কৃষকরা নিজেরাই উদ্যোগ নিয়েছেন। ব্লক ম্যানেজার ও কৃষক নাজমুল ইসলাম, আলামিন হাওলাদার, সোবহান সরদার, সাইফুল আকন, নুরু বয়াতি, সবুজ ও কালু হাওলাদারসহ অনেকে খাল থেকে কচুরিপানা ও মাটির বাঁধ অপসারণে নেমেছেন।

রাংতা গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দা সোবহান সরদার বলেন, ‘একসময় এই খালে সারা বছর পানি থাকত। দৈনন্দিন কাজেও আমরা এই পানি ব্যবহার করতাম। এখন সেই খালই শুকিয়ে যাচ্ছে।’

কালিখোলা বোরো ব্লকের ম্যানেজার আলামিন হাওলাদার জানান, ‘জমিতে ধানের চারা রোপণ করেছি। চারা বাঁচিয়ে রাখতে হলে দ্রুত পানির প্রয়োজন। তাই বাধ্য হয়ে নিজেরাই খাল পরিষ্কার করছি।’

রাংতা গ্রামের মালেক আকনের ছেলে কৃষক ও ব্লক ম্যানেজার সাইফুল আকন অভিযোগ করে বলেন, ‘খালের ওপর তিনটি ব্রিজ নির্মাণের সময় ঠিকাদার দুই পাশে মাটির বাঁধ দিয়ে কাজ করেছে। ব্রিজ নির্মাণ শেষ হলেও বাঁধ অপসারণ না করায় বোরো মৌসুমে আমরা প্রয়োজনীয় পানি পাচ্ছি না।’

এ বিষয়ে আগৈলঝাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইছা বলেন, ‘রাজিহার-কুমারভাঙ্গা খালে বাঁধ থাকার বিষয়টি আমার জানা ছিল না। বিষয়টি অবগত হয়ে দ্রুত সরেজমিন গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। নিয়মবহির্ভূতভাবে খালে কোনো বাঁধ থাকলে তা অপসারণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!