× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২১, ২০২৬, ০৪:৫১ পিএম

বিশ্বজয়ের রাতে স্পেনের যত রেকর্ড

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২১, ২০২৬, ০৪:৫১ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

স্কোরবোর্ডে ব্যবধান ছিল মাত্র এক গোল। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে স্পেন যে ইতিহাস গড়েছে, তা ফুটবলের রেকর্ড বইয়ে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। অপরাজিত যাত্রা, দুর্ভেদ্য রক্ষণ, কোচের বয়স, তরুণদের কীর্তি—সব মিলিয়ে এক রাতেই গড়েছে একাধিক বিশ্বরেকর্ড।

নিউইয়র্ক–নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে ফেরান তোরেসের গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জেতে স্পেন।

স্পেনের গড়া উল্লেখযোগ্য রেকর্ড

টানা ৩৮ ম্যাচ অপরাজিত : ফাইনালের জয়ের মাধ্যমে স্পেনের অপরাজিত যাত্রা দাঁড়িয়েছে ৩৮ ম্যাচে, যা পুরুষদের আন্তর্জাতিক ফুটবলে নতুন বিশ্বরেকর্ড। এর আগে ২০১৮ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ইতালি টানা ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত ছিল। ২০২৪ সালের মার্চে কলম্বিয়ার কাছে প্রীতি ম্যাচে হারের পর আর কোনো ম্যাচে হারেনি স্পেন। এই সময়ের মধ্যে তারা জিতেছে ইউরো ও বিশ্বকাপ—দুটি বড় শিরোপাই।

আট ম্যাচে মাত্র এক গোল হজম : ২০২৬ বিশ্বকাপে আট ম্যাচে মাত্র একটি গোল হজম করেছে স্পেন, যা বিশ্বকাপজয়ী কোনো দলের সর্বনিম্ন গোল হজমের নতুন রেকর্ড। আগের রেকর্ড ছিল দুটি গোল, যা গড়েছিল ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স, ২০০৬ সালের ইতালি ও ২০১০ সালের স্পেন।

সাত ক্লিন শিটের নজির : ফাইনালেও আর্জেন্টিনাকে গোল করতে না দিয়ে টুর্নামেন্টে সপ্তম ক্লিন শিট পান গোলরক্ষক উনাই সিমন। এক বিশ্বকাপে কোনো গোলরক্ষক ও দলের সর্বোচ্চ ক্লিন শিটের নতুন রেকর্ড এটি।

সবচেয়ে বেশি বয়সী বিশ্বকাপজয়ী কোচ : ৬৫ বছর ২৮ দিন বয়সে বিশ্বকাপ জিতে ইতিহাস গড়েছেন স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। তিনি এখন বিশ্বকাপজয়ী সবচেয়ে বেশি বয়সী কোচ। এর আগে রেকর্ডটি ছিল স্পেনেরই ভিসেন্তে দেল বস্কের, যিনি ২০১০ সালে ৫৯ বছর ২০০ দিন বয়সে দলকে শিরোপা জিতিয়েছিলেন।

এক ফাইনালে দুই কিশোর : লামিনে ইয়ামাল ও পাউ কুবারসিকে শুরুর একাদশে নামিয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে স্পেন। বিশ্বকাপ ফাইনালে একই সঙ্গে দুই কিশোরকে খেলানো প্রথম দল তারা। ইয়ামালের বয়স ছিল ১৯ বছর ৬ দিন এবং কুবারসির ১৯ বছর ১৭৮ দিন।

এ ছাড়া দুজনই কিশোর বয়সে আটটি করে বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলে কিলিয়ান এমবাপ্পের সাত ম্যাচের আগের রেকর্ড ভেঙেছেন।

মেসি–ইয়ামালের বয়সের রেকর্ড : ফাইনালে লিওনেল মেসি ও লামিনে ইয়ামাল শুরুর একাদশে থাকায় দুই প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের বয়সের ব্যবধান দাঁড়ায় ২০ বছর ১৯ দিন, যা বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

বদলি নেমে ফেরানের বিরল কীর্তি : দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে নেমে অতিরিক্ত সময়ে জয়সূচক গোল করেন ফেরান তোরেস। তিনি বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করা পঞ্চম বদলি খেলোয়াড় এবং ২০১৪ সালে মারিও গ্যোৎসের পর বদলি হিসেবে নেমে ফাইনালের জয়সূচক গোল করা দ্বিতীয় ফুটবলার। পাশাপাশি আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার পর বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করা দ্বিতীয় বার্সেলোনা খেলোয়াড়ও তিনি।

নারী ও পুরুষ—দুই বিশ্বকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন : ২০২৩ সালে নারী বিশ্বকাপ জয়ের পর ২০২৬ সালে পুরুষদের বিশ্বকাপও জিতে একই সময়ে নারী ও পুরুষ—দুই বিভাগের বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার প্রথম দেশ হয়েছে স্পেন।

বিশ্বকাপেও নতুন দুটি রেকর্ড : ২০২৬ সালের আসরটি ছিল প্রথম ৪৮ দলের বিশ্বকাপ। ১০৪ ম্যাচের এই টুর্নামেন্টে মোট ৩০৮টি গোল হয়েছে এবং গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন ৬৮ লাখ ১০ হাজার ৯৬৬ জন দর্শক। গোলসংখ্যা ও দর্শক উপস্থিতি—দুই ক্ষেত্রেই এটি বিশ্বকাপ ইতিহাসের নতুন রেকর্ড।

Link copied!