× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সারিয়াকান্দি (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০২:২৮ এএম

যমুনার বুকে সবুজ বিপ্লব

সারিয়াকান্দি (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০২:২৮ এএম

যমুনার বুকে সবুজ বিপ্লব

বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলায় যমুনা নদীতে জেগে ওঠা উর্বর পলিমাটির চরে পেঁয়াজের বাম্পার ফলনের আশায় স্বপ্ন বুনছেন কৃষকরা। একসময় যেখানে তেমন কোনো চাষাবাদ হতো না, এখন সেখানে বিস্তীর্ণ চরজুড়ে পেঁয়াজের আবাদ দেখা যাচ্ছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এখানকার পেঁয়াজ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।

প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে যমুনার চরে নতুন পলি জমে। সেই পলি প্রাকৃতিক সার হিসেবে কাজ করায় পেঁয়াজ চাষে অতিরিক্ত সার প্রয়োজন হয় না। বাজারে পেঁয়াজের চাহিদা ও উচ্চমূল্যের কারণে কৃষকরা অন্যান্য ফসলের তুলনায় পেঁয়াজ চাষে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। অনুকূল আবহাওয়া ও রোগবালাই কম থাকায় এ বছর বাম্পার ফলনের আশা করছেন তারা।

সারিয়াকান্দি কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১৬০০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও ইতোমধ্যে ১৬১০ হেক্টর জমিতে আবাদ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ১০ হেক্টরে কন্দ থেকে উৎপাদন হয়েছে। গড় ফলন হচ্ছে প্রতি হেক্টরে ১৪ মেট্রিক টন।

উপজেলার ধাপের চরে গিয়ে দেখা যায়, কৃষক তাহের প্রামাণিক ১০ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ আবাদ করেছেন। আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার আশায় তিনি ব্যস্ত সময় পার করছেন পরিচর্যায়। তিনি জানান, ১০ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষে এখন পর্যন্ত দুই লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রতি বিঘায় ৬০-০৭০ মণ, ভালো ফলন হলে ১০০ মণ পর্যন্ত পেঁয়াজ পাওয়া যেতে পারে। সে হিসেবে তিনি ৬০০-৭০০ মণ পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করছেন। বাজারদর ভালো থাকলে খরচ বাদ দিয়ে ৬-৭ লাখ টাকা লাভ হতে পারে বলেও জানান তিনি। পেঁয়াজ রোপণের পর উপজেলা কৃষি অফিস থেকে পরামর্শ পেয়েছেন এবং সে অনুযায়ী পরিচর্যা চালিয়ে ভালো ফল পাচ্ছেন।

সারিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, আগে চরের জমি অনাবাদি পড়ে থাকত। এখন সেখানে বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদিত হচ্ছে। প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এ উপজেলায় ২০ জন কৃষককে পেঁয়াজের বীজ বিতরণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আবাদ হয়েছে, যা ইতিবাচক দিক।

ন্যায্য বাজারমূল্যের নিশ্চয়তা পেলে চরাঞ্চলে পেঁয়াজ চাষ আরও সম্প্রসারিত হবে বলে মনে করছেন কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তারা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!