আরজি কর আন্দোলনের সময় তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে সরব হওয়ার কারণে অঘোষিত ব্যান হয়েছিলেন কলকাতার অভিনেত্রী সোহিনী সরকার।
এ নিয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘সরকারের বিরুদ্ধে কথা বললে, এরকম কিছু একটা হবে। এটাই প্রত্যাশিত। এটা জেনেই সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলেছিলাম। এমনটা তো নয়, আমি সরকারের বিরুদ্ধে যাব আর তারা আমাকে মাথায় তুলে রাখবে। বলবে, ‘এটাই তো হওয়া উচিৎ’ বা ‘এটাই তো গণতান্ত্রিক অধিকার’। বিরোধীতা করাকে সবসময়ই তারা শত্রু বলে মনে করেছে, আমাকে কেন, আমাদের মতো যারা মুখ খুলেছিলেন প্রত্যেকে। ফলে কীভাবে একজন আর্টিস্টকে সায়েস্তা করা যায়, তার কাজ বন্ধ করলে তাকে ভাতে মারা যাবে। একজন ডাক্তারের প্র্যাক্টিস বন্ধ করে দিলে তেমনই হবে।’
সোহিনী অকপটে জানান, সবটাই মাথায় ছিল তার। বরং মানসিকভাবে খানিক প্রস্তুত হয়েই নেমেছিলেন রাস্তায়। কিন্তু পিছিয়ে আসার কথা ভাবেননি। বহু মানুষের মুখে শুনেছিলেন যে তাকে ব্যান করা হয়েছে। কিন্তু খুব বেশি ভাবেননি। সোহিনীর বিশ্বাস, ঠিক নিজের জন্য কিছু ব্যবস্থা করে ফেলবেন।
অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার নিজের উপর এতটা কনফিডেন্স আছে যে, আমি কিছু একটা করেই নেব। এমন একটা কিছু করে নেব যাতে আমার থাকা-খাওয়ার খরচ উঠে যায়। হ্যাঁ হয়তো বিলাসবহুল জীবন পাব না। সেটা আমি চাই-ও না কোনোদিন। আমি যেটুকু রোজগার করি, তাতেই খুশি। সেই রোজগারে টান পড়লে, আমি অন্য উপায় দেখে নেব।’
আপাতত সরকার বদলেছে। পালা বদলে ক্ষমতায় আসীন বিজেপি। নতুন সরকারের উপর কী প্রত্যাশা জানতে চাওয়া হলে সোহিনীর থেকে জবাব আসে, ‘একটা শিশু জন্ম নিয়েছে, সে বড় হোক। সে বুঝুক, কাজ করুক। কাজ করলে ভালোই লাগবে। কাজ হলে কোনো সাধারণ মানুষের তো খারাপ লাগার কথা নয়!’

