× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

জামালপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ২৪, ২০২৬, ০৭:১০ এএম

বৃষ্টিতে ভিজেই অন্নের লড়াই

জামালপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ২৪, ২০২৬, ০৭:১০ এএম

বৃষ্টিতে ভিজেই অন্নের লড়াই

মাথার ওপর ঝরছে অবিরাম বৃষ্টি, আর পায়ের নিচে নরম কাদামাটি। এই বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করেই লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন শত শত মানুষ। কারও মাথায় সামান্য পলিথিন, কেউ বা আবার খালি বস্তাটি মাথায় দিয়ে বৃষ্টি ঠেকানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। পবিত্র ঈদুল আহা উপলক্ষে সরকারি ভিজিএফের ১০ কেজি চালের জন্য জামালপুর সদর উপজেলার নরুন্দি ইউনিয়নে দেখা গেছে ক্ষুধার লড়াইয়ের এক বেদনাবিধুর চিত্র।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা আর্থিক সংকটে থাকা পরিবারগুলোর জন্য ঈদের ঠিক আগে আগে এই সরকারি খাদ্য সহায়তাটুকু অনেক বড় ভরসা। কিন্তু সেই আনন্দটুকু মলিন হয়ে গেছে অব্যবস্থাপনা আর প্রকৃতির বৈরিতায়। নরুন্দি ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, এই ইউনিয়নে সুবিধাভোগী লোকের সংখ্যা ৪ হাজার ৭৭৪ জন। তাদের জন্য ঈদে প্রায় ৪৮ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। গতকাল শনিবার থেকে শুরু হওয়া এই বিতরণ কার্যক্রম চলবে আজ রোববার পর্যন্ত।

গতকাল সরেজমিনে নরুন্দি ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখা যায়, ছাতা না থাকায় অধিকাংশ উপকারভোগীই ভিজছেন। বৃদ্ধ ও নারীদের কষ্ট ছিল সবচেয়ে বেশি। ত্রাণ নিতে আসা একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার অভাবে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে তাদের।

ব্রহ্মোত্তর গ্রামের বাসিন্দা মুর্শেদা বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। কিন্তু ওনারা নিয়ম মেনে চাল না দিয়ে অন্যভাবে দেওয়ায় আমরা এখনো পাইনি। তাই বাধ্য হয়ে বৃষ্টিতে ভিজেও দাঁড়িয়ে আছি।

আরেক উপকারভোগী শিপন বেগম বলেন, লাইন ছেড়ে দিলে আবার পেছনে গিয়ে দাঁড়াতে হবে। ছাতা নেই, তাই চালের ব্যাগ মাথায় দিয়ে বৃষ্টি ঠেকানোর চেষ্টা করছি।

ভুক্তভোগীদের দাবি, আগামীতে যেন এমন সহায়তা বিতরণে সুষ্ঠু মানবিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা হয়।

এমন চরম অব্যবস্থাপনার বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি সচিব মোহাম্মদ কামরুল হাসান নিজের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে বলেন, আমার একার পক্ষে সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। ইউপি সদস্যদের ওপরও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে কোনো ইউপি সদস্য কথা বলতে রাজি হননি।

অন্যদিকে ট্যাগ অফিসার ও সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাজেদুর রহমান স্বজনপ্রীতির অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, কাউকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়নি। তবে বৃষ্টির মধ্যেও বিতরণ চলায় উপকারভোগীরা ভিজেছেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!