× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: মে ২৬, ২০২৬, ০৬:৩৪ এএম

ময়মনসিংহে প্রস্তুত ২ লাখ ২৬ হাজার কোরবানির পশু

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: মে ২৬, ২০২৬, ০৬:৩৪ এএম

ময়মনসিংহে প্রস্তুত ২ লাখ  ২৬ হাজার কোরবানির পশু

আসন্ন কোরবানির ঈদ সামনে রেখে ময়মনসিংহ জেলায় ২ লাখ ২৬ হাজার ১৪৮টি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলার চাহিদার তুলনায় এটি প্রায় ৪৪ হাজার ৮৮২টি বেশি বলে জানিয়েছে জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। অতিরিক্ত এই পশু দেশের বিভিন্ন জেলায়, বিশেষ করে ঢাকা অঞ্চলে সরবরাহ করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা ১ লাখ ৮১ হাজার ২৬৬টি। এর বিপরীতে ১৩টি উপজেলায় মোট ২ লাখ ২৬ হাজার ১৪৮টি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে গরু ১ লাখ ১৫ হাজার ৯৪৭টি, ছাগল ১ লাখ ৩ হাজার ৯৬৬টি, ভেড়া ৫ হাজার ৩৪৪টি এবং মহিষ ৮৮৬টি।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত ৪৪ হাজার ৮৮২টি পশু বাজারজাত করা হবে দেশের বিভিন্ন জেলায়।

তবে সরবরাহ বেশি হলেও এ বছর পশুর ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন খামারিরা। তাদের অভিযোগ, পশুখাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি, শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে কৃষি খাতে ক্ষতির কারণে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। এতে কোরবানির পশুর বাজার নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

হালুয়াঘাট উপজেলার খামারি সাদ্দাম করিব বলেন, বোরো ধানের মৌসুমে এবার বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। বৃষ্টি ও অতিবৃষ্টিতে ফসল নষ্ট হওয়ায় অনেক কৃষক আর্থিক সংকটে পড়েছেন। এতে কোরবানির সক্ষমতাও কমে গেছে।

চর ঈশ্বরদিয়া গ্রামের খামারি মো. কুদরত আলী বলেন, প্রতিবছর এই সময়ে ঢাকার পাইকারেরা আগেভাগে এসে গরু বুকিং দিত। এবার ঈদের আর মাত্র ১০ দিন বাকি থাকলেও এখনো কোনো পাইকার আসেনি। পাইকার না এলে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করতে হবে, কিন্তু ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।

দাপুনিয়া এলাকার খামারি জাহিদ বলেন, গরু পালনে খাদ্য ও শ্রমিকের খরচ অনেক বেড়েছে। কিন্তু বাজারে সে অনুযায়ী দাম পাওয়া যাচ্ছে না। এতে আমরা লোকসানের আশঙ্কায় আছি।

একই এলাকার খামারি জুয়েল সিকদার বলেন, এ বছর বাজারে চাহিদার তুলনায় পশু বেশি। পাইকার না এলে বা দাম না বাড়লে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।

এদিকে আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু চোরাচালানের আশঙ্কা করছেন স্থানীয় খামারিরা। তাদের দাবি, অবৈধভাবে ভারতীয় গরু দেশে প্রবেশ করলে দেশি গরুর দাম কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!