× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ভিটেমাটি বিক্রি করেও মুক্ত হননি ফয়সল

বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ১১, ২০২৬, ০৬:৩৭ এএম

ভিটেমাটি বিক্রি করেও মুক্ত হননি ফয়সল

শেষ সম্বল ভিটেমাটি বিক্রি করে মুক্তিপণের টাকা দিয়েও লিবিয়ায় জিম্মি সন্তানকে মুক্ত করতে পারেনি এক নিঃস্ব পরিবার। সেখানে মানব পাচারকারী চক্রের হাতে বন্দি হয়ে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের সাতপাড়া গ্রামের তরুণ ফয়সল আহমদ। দালালের দাবি অনুযায়ী ৬ লাখ টাকা দেওয়ার পরও মুক্তি মেলেনি, উল্টো চলছে বর্বর নির্যাতন। ছেলেকে জীবিত ফেরত পেতে এখন সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ চাইছে পরিবারটি।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে জীবিকার সন্ধানে লিবিয়ায় পাড়ি জমান সাতপাড়া গ্রামের মদরিস আলীর ছেলে ফয়সল। সেখানে কিছুদিন থাকার পর উন্নত জীবনের আশায় নবীগঞ্জের দালাল এরশাদ আলীর মাধ্যমে অবৈধ পথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করেন। যাত্রাপথে লিবিয়ার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক হলে পরে তাকে নিজেদের জিম্মায় নিয়ে নেয় একটি আন্তর্জাতিক মানব পাচারকারী চক্র।

এরপর থেকেই শুরু হয় নির্মমতা। ফয়সলের ওপর চালানো নির্যাতনের দৃশ্য ভিডিও কলে দেখিয়ে পরিবারের কাছে প্রথমে ২৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরে অনেক আকুতি-মিনতির পর ৬ লাখ টাকায় মুক্তি দিতে রাজি হয় চক্রটি। সন্তানের প্রাণ বাঁচাতে পৈতৃক ভিটেমাটি বিক্রি করে দালালের দেওয়া একটি বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠায় পরিবার। কিন্তু টাকা পেয়েও ফয়সলকে ছাড়েনি তারা, বরং আরও টাকার জন্য নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে ফয়সলের মা মিনারা বেগম বলেন, ‘দালালদের টাকা দিয়ে আমার সব শেষ হয়ে গেছে, এখন মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকুও নেই। আমি শুধু আমার ছেলেটাকে জীবিত ফেরত চাই। সরকারের কাছে আকুল আবেদন, আমার সন্তানকে দেশে ফিরিয়ে আনুন।’

স্থানীয় ইউপি সদস্য হাফিজ আরব খান জানান, পরিবারটি নিঃস্ব হয়ে টাকা দেওয়ার পরও ফয়সল মুক্ত হয়নি। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশকে জানানো হয়েছে।

বিশ্বনাথ থানার ওসি গাজী মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর পরিবারের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। যে বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠানো হয়েছে, সেটির সূত্র ধরে তদন্ত চলছে। অপরাধীদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!