সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজসংলগ্ন নলকা-সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে উচ্ছেদ অভিযানের পরও বিদ্যুতের একাধিক মিটার এখনো গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ঝুলে আছে। গত সোমবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে প্রায় সাড়ে ৬ কিলোমিটার এলাকায় দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হলেও বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধিগ্রহণকৃত জমিতে অবৈধ স্থাপনাগুলোর বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে কোনো ধরনের বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই। অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যুৎ বিভাগের অসাধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে অতিরিক্ত অর্থ প্রদানের বিনিময়ে এসব সংযোগ নেওয়া হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ দোকানের মালিক ফারুক জানান, তারা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে বাড়তি টাকা দিয়ে এই সংযোগ নিয়েছেন, যেখানে কোনো কাগজপত্রের প্রয়োজন হয়নি। তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রতি মাসে নিয়মিত বিলের পাশাপাশি পরিদর্শকদের অতিরিক্ত অর্থ না দিলে হয়রানির শিকার হতে হয়।
এদিকে উচ্ছেদ অভিযান চললেও বিদ্যুতের সংযোগ বহাল থাকায় দোকানদারেরা আবারও আগের স্থানে ফিরে আসার সুযোগ পাচ্ছেন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। ফিরোজ হাসান নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, এই দোকানগুলোতে রাতভর উচ্চ স্বরে সাউন্ড সিস্টেম বাজানো হয় এবং মাদকসেবীসহ বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ ব্যক্তির আনাগোনা বেড়েছে, যা এলাকাবাসীর জন্য উদ্বেগের কারণ।
বিদ্যুৎ বিভাগের এমন উদাসীনতার বিষয়ে নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলী অশীথ পর্দ্দার বলেন, অবৈধ সংযোগের বিষয়টি আগে জানা ছিল না। তিনি সাইট ইঞ্জিনিয়ারকে বিষয়টি অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন