গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী রেলওয়ে জংশন ও আশপাশের এলাকায় র্যাব-১-এর বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় মাদক কারবার ও সেবনের অভিযোগে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ- দেওয়া হয়েছে। গত সোমবার রাত ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত টঙ্গী রেলওয়ে জংশন ও আশপাশের এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন র্যাব-১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিয়ামুল হালিম এবং সিপিসি-২-এর কোম্পানি কমান্ডার শহিদুল ইসলাম। র্যাবের পাশাপাশি অভিযানে অংশ নেয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা।
র্যাব জানায়, অভিযানের সময় রেলওয়ে জংশন এলাকা ও আশপাশে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, গাঁজা, মাদকদ্রব্যের ইনজেকশনসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ১১ জনকে আটক করা হয়। পরে ঘটনাস্থলেই র্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু হাসানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। আদালত আটক ব্যক্তিদের অপরাধের ধরন ও সংশ্লিষ্ট আইনি বিধান বিবেচনা করে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ- প্রদান করেন।
র্যাব-১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিয়ামুল হালিম বলেন, সরকারের ঘোষিত মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং ১১ জনকে আটক করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের সাজা দেওয়া হয়েছে। মাদক নির্মূলে র্যাবের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
র্যাব আরও জানায়, টঙ্গী রেলওয়ে জংশন ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবার ও সেবনের অভিযোগ ছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই সমন্বিতভাবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। মাদকের বিস্তার রোধ ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা নজরদারি এবং বিশেষ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

