বেন স্টোকসের অধ্যায় তো শেষ। এরপর ইংল্যান্ডের নেতৃত্বে কে? স্বাভাবিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী, স্বয়ংক্রিয়ভাবেই দায়িত্বটি পাওয়ার কথা হ্যারি ব্রুকের। তিনিই তো সহ-অধিনায়ক। তবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এই সিরিজেই একটি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছেন জো রুট। সংশয় তাই জাগছে। স্টোকস অবশ্য বিদায়ের আগে ব্রুকের ওপরই সবটুকু ভরসার কথা জানিয়ে গেলের। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরে গেলেন স্টোকস। সিরিজের শেষ টেস্টের শেষের আগের দিন আচমকা এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে চমকে দেন তিনি গোটা ক্রিকেট বিশ^কেই। ইংলিশ ক্রিকেট আপাতত ধাতস্থ হওয়ার চেষ্টা করছে। স্টোকসের চুক্তি ছিল আগামী বছর পর্যন্ত। তাই নতুন অধিনায়ক নিয়ে কোনো ভাবনা তাদের ছিল না। এখন নতুন অধিনায়ক ঠিক করতে হবে কর্তাদের।
সহ-অধিনায়ক হিসেবে ব্রুকেরই দায়িত্ব পাওয়ার কথা। তবে ব্যাপারটি এতটা সহজও নয়। এই সিরিজেই দ্বিতীয় টেস্টে যখন নাইটক্লাব বিতর্কে অনুপস্থিত ছিলেন স্টোকস, তখন ব্রুককে নয়, অধিনায়ক করা হয়েছিল জো রুটকে। সাদা বলের ক্রিকেটের দুই সংস্করণে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক ব্রুক। সংবাদমাধ্যমের খবর, তিন সংস্করণে একজনের ওপরই অধিনায়কত্বের ভার চাপাতে চায় না ইংল্যান্ডের ম্যানেজমেন্ট।
ব্রুককে টেস্ট অধিনায়ক করা হলে সাদা বলের একটি সংস্করণে স্যাম কারান কিংবা জেকব বেথেলকে অধিনায়ক করা হতে পারে বলেও শোনা যাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত যেটাই হোক, স্টোকস তার ভাবনা জানিয়ে রাখলেন। ব্রুককেই উপযুক্ত উত্তরসূরি মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, তাকে এই দলের সহ-অধিনায়ক হতে বলার পেছনে তো কারণ আছে। আমি জানি যে, গত কয়েক সপ্তাহের যাবতীয় বিতর্কের কারণে কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল (রুটকে নেতৃত্ব দেওয়া)। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তগুলো নেওয়ার প্রক্রিয়ায় আমি ছিলাম না। তবে নির্দিষ্ট কিছু কারণেই কাউকে দলের সহ-অধিনায়ক হতে বলা হয়। আমি জোর (রুট) সঙ্গে দীর্ঘদিন সহ-অধিনায়ক ছিলাম এবং এটি একটি স্বাভাবিক অগ্রগতি। যদি অধিনায়ক অনুপস্থিত থাকেন, তবে সহ-অধিনায়ককেই দায়িত্ব নিতে হয়। সুতরাং, হ্যারির এই দায়িত্ব না নেওয়ার কোনো কারণই নেই।
ব্রুক এই দলের সেরা ব্যাটসম্যানদের একজন। নেতৃত্ব তার জন্য বাড়তি ভার হবে কি না, সেই প্রশ্ন উঠছে। তবে স্টোকসের মনে এমন কোনো প্রশ্ন বা সংশয় নেই।

