প্রথম ৩০ মিনিটেই দুবার তিউনিসিয়ার জাল কাঁপিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেয় সুইডেন। তবে প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই একটি গোল শোধ করে ব্যবধান কমায় তিউনিসিয়ানরা। তাতে ম্যাচে ফেরার আশা জাগলেও বিরতির পর আর কোনো সুযোগই পায়নি তারা। দ্বিতীয়ার্ধে আরও তিন গোল করে দাপুটে জয় নিশ্চিত করে সুইডেন। এই জয়ের মধ্যদিয়ে বিশ^কাপ ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয়বারের মতো এক ম্যাচে পাঁচ বা তার বেশি গোল করল সুইডিশরা। তাদের বিশ^কাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়টি এসেছিল ১৯৩৮ সালে, যখন কিউবাকে ৮-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল তারা। গত রোববার মেক্সিকোর মন্টেরি স্টেডিয়ামে এফ গ্রুপে খেলায় নিজেদের প্রথম ম্যাচে তিউনিসিয়াকে ৫-১ গোলে হারিয়েছে সুইডেন। দলটির হয়ে জোড়া গোল করেন ইয়াসিন আয়ারি। এ ছাড়া একটি করে গোল করেন আলেকজান্ডার আইজাক, ভিক্টর ইয়োকেরেস ও মাতিয়াস স্বানবেরি।
এদিন ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই এগিয়ে যায় সুইডেন। বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন ইয়াসিন। ম্যাচের ৩০তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আইজাক। বল দখলের লড়াই থেকে আক্রমণÑ সবখানেই এগিয়ে ছিল সুইডেন। তবে রক্ষণ সামলে আক্রমণের সুযোগ খুঁজতে থাকে তিউনিসিয়া। কিন্তু সুইডেনের রক্ষণ শক্ত থাকায় সুযোগ পাচ্ছিল না দলটি।
স্রোতের বিপরীতে ৪৩তম মিনিট এক গোল শোধ করে তিউনিসিয়া। হানিবাল মেজব্রির বাড়ানো ক্রসে হেডে বল জালে জড়িয়েছেন ওমর রেকিক।
বিরতি থেকে ফিরে তৃতীয় গোলও পেয়ে যায় সুইডেন। ৫৯তম মিনিটে ব্যবধান বাড়ানো গোলটি করেন ভিক্টর ইয়োকেরেস। এই গোলে অবশ্য ইয়োকেরেসের নৈপুণ্যের চেয়ে তিউনিসিয়ার দায়ই বেশি। গোলকিপার শামাখ হাত দিয়ে বল বাড়িয়েছিলেন স্খিরির দিকে। ইসাক যে কাছাকাছি আছেন খেয়াল করেননি। ক্ষীপ্র সুইডিশ স্ট্রাইকার স্খিরির কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে পাশে থাকা ইয়োকেরেসকে দেন। কোনাকুনি শটে বল জালে জড়াতে কোনো কষ্টই হয়নি আর্সেনাল ফরোয়ার্ডের।

