× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

তানভীর ইসলাম কাওছার, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার)

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫, ০৫:২৫ পিএম

শীতে কাঁপছে চায়ের জনপদ শ্রীমঙ্গল

তানভীর ইসলাম কাওছার, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার)

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫, ০৫:২৫ পিএম

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

পাহাড়, হাওর ও চা-বাগান বেষ্টিত পর্যটন নগরী মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। কমে এসেছে তাপমাত্রা, বেড়েছে শীতের প্রকোপ। এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন চা-শ্রমিকসহ শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। তবে তাপমাত্রা কম থাকলেও সকাল থেকেই সূর্যের দেখা মিলেছে।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকেন্দ্রের সিনিয়র সহকারী আনিসুর রহমান জানান, শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। গতকাল সোমবারও তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে, প্রতিদিন সন্ধ্যার পর শহর এলাকায় তুলনামূলকভাবে তাপমাত্রা কিছুটা বেশি থাকলেও হাওর, পাহাড় ও চা-বাগান এলাকায় বসবাসরত মানুষের শীতের অনুভূতি অনেক বেশি। তীব্র শীতে বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ।

বিশেষ করে চা-বাগানগুলোতে শীতের তীব্রতা বেশি থাকায় কাজ করতে চা-শ্রমিকদের বেগ পোহাতে হচ্ছে। চা-বাগান এলাকার বাসিন্দা তপন বৈদ্য বলেন, চা-বাগানের শ্রমজীবী নারী-পুরুষরা শীত নিবারণের জন্য গরম কাপড় ও কম্বলের অভাবে খুব কষ্টে দিনযাপন করছেন। প্রশাসনের কেউ আমাদের খোঁজখবর রাখে না।

ভাড়াউড়া চা-বাগান এলাকার বাসিন্দা দুলাল হাজরা বলেন, ‘সন্ধ্যার পর চা-বাগানে প্রচণ্ড শীত পড়ে। আমাদের অনেক কষ্ট করে থাকতে হয়। সবার ঘরে চাহিদামতো গরম কাপড় নেই। এখন পর্যন্ত চা-বাগানে কেউ শীতবস্ত্র দেয়নি।’

জানা যায়, এ শীতে এখনো কেউ মানবতার হাত বাড়িয়ে দেননি এসব অসহায় ও গৃহহীন মানুষদের দিকে। গত শীতে অনেকেই সহায়তা করলেও এবার এখনো কারো কাছ থেকে কোনো সাহায্য পাননি তারা। ফলে গরম কাপড়ের অভাবে কষ্টে শীতের রাত কাটছে তাদের।

ঘন কুয়াশার কারণে শ্রীমঙ্গলের সড়কগুলোতে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের শীতের পোশাক পরে হিমেল বাতাস উপেক্ষা করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হচ্ছে। চা-শ্রমিকসহ কৃষি খামারে কাজ করা শ্রমিকরা তীব্র ঠান্ডায় ভয়াবহ কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসলাম উদ্দিন জানান, বেসরকারি উদ্যোগে চা-বাগান এলাকায় শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও পর্যায়ক্রমে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে।

Link copied!