× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মো. কামরুল ইসলাম (নবীনগর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ০৪:৫৪ পিএম

নবীনগরে জনপ্রিয় হচ্ছে শূন্য চাষে আবাদ পদ্ধতি

মো. কামরুল ইসলাম (নবীনগর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ০৪:৫৪ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ।

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ।

কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে জিরো টিলেজ বা শূন্য চাষে আবাদ পদ্ধতি। জমি চাষ না করে কিংবা স্বল্প চাষে ফসল উৎপাদনের এই কৌশল কৃষকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করছে।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জিরো টিলেজ পদ্ধতিতে জমি চাষ না করে আগের ফসলের অবশিষ্টাংশ রেখে সরাসরি বীজ বপন করা হয়। এতে উৎপাদন খরচ কমে, সময় ও শ্রম সাশ্রয় হয়।

নবীনগরে সরিষা, মসুর, খেসারি, রসুন ফসলে এই পদ্ধতিতে ভালো ফলন দিচ্ছে। হালকা বালি-মাটিতে বাদামও জিরো টিলেজে আবাদ করা হয়েছে।

রাজস্ব অর্থায়নে কুমিল্লা অঞ্চলের টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প এবং বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাংলাদেশ সাস্টেইনেবল রিকভারি ইমার্জেন্সি প্রিপারেডনেস অ্যান্ড রেসপন্স প্রকল্প (বি-স্ট্রং)-এর আওতায় নবীনগর উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে স্বল্প চাষ কিংবা জিরো টিলেজ বা শূন্য চাষের আওতায় ২১ টি ইউনিয়নের শতাধিক স্থানে বাদাম, সরিষা এবং ডালজাতীয় ফসল আবাদ করা হয়েছে।

শ্রীরামপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের কৃষক রাজিব মিয়া জানান, ‘আমাদের ব্লকের উপসহকারী কৃষি অফিসার আবুল হোসেনের পরামর্শে আমি শূন্য চাষে সরিষা ছিটিয়ে দেই।’

উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বি-স্ট্রং প্রকল্পের আওতায় একটি প্রদর্শনীর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় উপকরণ গ্রহণ করি। আগে যেখানে জমি চাষ, মই দেওয়া ও প্রস্তুত করতে অতিরিক্ত সময় এবং খরচ হতো, সেখানে জিরো টিলেজ ব্যবহারে খরচ প্রায় ৩০–৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমছে। একই সঙ্গে মাটির আর্দ্রতা বজায় থাকায় সেচের প্রয়োজনও কম হচ্ছে।

বিদ্যাকুট ইউনিয়নের কৃষক কুলসুম আক্তার জানান, ‘আমি এই বছর প্রথমবারের মতো বিনা চাষে সরিষা আবাদ করতে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা গৌতম ভৌমিকের মাধ্যমে উৎসাহ পাই। এখন মাঠের সবার জমির আগে আমার জমি দ্রুত পরিপক্ক হচ্ছে দেখে স্থানীয় অনেক কৃষক আগামীতে উৎসাহ পাচ্ছে।’

নবীনগর উপজেলায় চলতি মৌসুমে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রদর্শনী উপকরণ বিতরণ ছাড়াও উদ্ভুদ্ধকরণের মাধ্যমে প্রায় ২৫০ বিঘা জমিতে রোপা আমন ধান কর্তণের আগে রিলে পদ্ধতি এবং বিনা চাষে সরিষা আবাদ করা হয়েছে। উপজেলায় ডালজাতীয় ফসলের মধ্যে মসুর ২৫ বিঘা, রসুন ১০ বিঘা, বাদাম ২৫ বিঘা জমিতে বিনা চাষে এবং স্বল্প চাষে আবাদ করা হয়েছে।

নবীনগর উপজেলার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন জানান, জিরো টিলেজ বা বিনা চাষে আবাদ মাটির স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এতে মাটির জৈব পদার্থ বৃদ্ধি পায়, উপকারী অণুজীব সক্রিয় থাকে এবং মাটির ক্ষয় কম হয়।

এ ছাড়া কার্বন নিঃসরণ কম হওয়ায় এটি পরিবেশবান্ধব কৃষি পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কৃষকদের সময় এবং অর্থ দুটিই সাশ্রয় হয়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!