× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কক্সবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০৯:৪৯ এএম

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বোমা উদ্ধার

কক্সবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০৯:৪৯ এএম

অবিস্ফোরিত বোমা উদ্ধার। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

অবিস্ফোরিত বোমা উদ্ধার। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

কক্সবাজারের রামুর কাউয়ারখোপে বোমাসদৃশ এক লোহার ওপর গত এক দশক ধরে চলেছে কাপড় কাচা। পরে এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবিস্ফোরিত বোমা হিসেবে ধারণা করে উদ্ধারের পর নিষ্ক্রিয় করার কার্যক্রম চলছে।

শুক্রবার বস্তুটি উদ্ধার করা হয়। রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভুঁইয়া এসব তথ্য জানিয়েছেন। ওসি বলেন, রামুর কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লট উখিয়ারঘোনা তচ্ছাখালী এলাকায় একটি পুকুর ঘাটে বোমা সদৃশ এ বস্তুটি পাওয়া যায়।

ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়ার মতে, রামুতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পতিত অবিস্ফোরিত বোমা হতে পারে এটি। মূলত পুকুরে পড়ায় তা বিস্ফোরণ হয়নি হয়তো।

পুকুর সংস্কার করতে গিয়ে এক দশক আগে স্থানীয় কেউ পুকুর থেকে তুলে এটি পাড়ে রেখেছিল। সেখানেই পড়ে থাকা লোহার অংশ বিশেষ হিসেবে স্থানীয়রা গত ১০ বছর ধরে এটির ওপর কাপড়চোপড় ধোয়ার কাজও করেছে।

ওসি বলেন, স্থানীয় এক সচেতন নাগরিক বোমা সদৃশ বস্তুটির বিষয়ে পুলিশকে জানালে শুক্রবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়। এরপর তা নিরাপদ স্থানে রেখে চারপাশে সংরক্ষিত করার পাশাপাশি নজরদারিতে রাখা হয়েছি।

পরে বিষয়টি সেনাবাহিনীকে অবহিত করা হয়। সেনাবাহিনীও ঘটনাস্থলে যায় ও বোমাটি নিষ্ক্রিয় করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

স্থানীয় একটি সূত্র মতে, বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে রামুর ইতিহাস নিয়ে কাজ করা আইনজীবী শিরূপন বড়ুয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বোমা সদৃশ বস্তুটির দুটি ছবি শেয়ার করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই বস্তুটিকে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের অবিস্ফোরিত বোমা বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

ইতিহাস গবেষক আইনজীবী শিরূপন বড়ুয়া জানান, বোমা সদৃশ বস্তুটির বিষয় তিনি অনেক আগেই জেনেছিলেন। নিজের আগ্রহ থেকে বৃহস্পতিবার তিনি ও শিক্ষক সুমথ বড়ুয়া সেটি দেখতে গিয়েছিলেন। তার ধারণা, হয়তো এটি জাপানের তৈরি ও বর্তমানে এটি নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রয়েছে।

স্থানীয়দের মতো তিনিও এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবিস্ফোরিত বোমা বলে ধারণা করেছেন। বস্তুটির আকার প্রস্থ গ্যাসের সিলিন্ডারের মতো এবং দৈর্ঘ্য আরও বেশি। এদিকে বোমা সদৃশ বস্তুটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সাধারণ মানুষের মাঝে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।

ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, বোমা সদৃশ বস্তুটি ঘেরায় সংরক্ষণ করে পুলিশ হেডকোয়ার্টারে জানানো হয়েছে। কাজ করছে সেনাবাহিনীও। ঊর্ধ্বতন মহলে নির্দেশনামতো পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!