× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম

জনগণ আর পরিবার-ব্যক্তি-গোষ্ঠীর রাজনীতি দেখতে চায় না : জামায়াত আমির

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, কেউ কেউ প্রথম দিকে ‘না’ ভোটের পক্ষে ক্যাম্পেইন করেছেন, জনগণের উত্তাল তরঙ্গ দেখতে পেয়েছেন। জনগণ পুরোনো পচা রাজনীতি আর চায় না। জনগণ আর পরিবার-ব্যক্তি-গোষ্ঠীর রাজনীতি চায় না। জনগণ দলীয় সরকার দেখতে চায় না। জনগণ জনগণের সরকার দেখতে চায়। অনেকে এখন আস্তে আস্তে বলা শুরু করেছেন আমরাও ‘হ্যাঁ’—ঠেলার নাম বাবাজি।

মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ময়মনসিংহ নগরীর ঐতিহাসিক সার্কিট হাউজ মাঠে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মঞ্চে উঠে দুই হাত নেড়ে সামনের সারিতে বসা দর্শকদের অভিবাদন জানান জামায়াত আমির।

জামায়াত আমির আরও বলেন, চোরেরা চুরি করে বাংলাদেশ থেকে ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। আল্লাহ যেন তৌফিক দেন ওদের পেটের ভেতরে হাত ঢুকিয়ে সেই টাকা নিয়ে আসতে পারি। এটা বাংলাদেশের বার্ষিক বাজেটের চারগুণ। দেশের টাকা বিদেশে নিয়ে রাজার আদলে বসবাস করবেন আমরা তাদের ঘুম হারাম করে দেব। তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। দেশে মুরগি-গরু চুরির জন্য মানুষকে পিটিয়ে মারা হয়, কিন্তু বড় বড় চোরদের কিছু হয় না। জামায়াত তা হতে দেবে না।

তিরি আরও বলেন, মানুষ বাংলাদেশের পরিবর্তন চায়। এবারের নির্বাচন কোনো সাধারণ নির্বাচন না। এবারকার নির্বাচন উপযুক্ত রাস্তার ওপর জাতিকে দাঁড় করিয়ে দেওয়ার নির্বাচন। এবার দুটি ভোট একটি হ্যাঁ, হ্যাঁ মানে আজাদি না মানে গোলামি। হ্যাঁ ভোট মা-বোনদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে। আপনারা প্রথম ভোটটা হ্যাঁ’তে দেবেন দ্বিতীয়টা ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীকে দিয়ে ইনসাফ কায়েম করবেন।

জামায়াত আমির বলেন, ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এ রকম একটা বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার পর দেশে কৃষিবিপ্লব হওয়ার কথা। গবেষণা করার জন্য যে পরিমাণ বাজেট দেওয়ার কথা তা দেওয়া হয়নি। তারপরেও এই বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশে অনেক কিছু দিয়েছে। গবেষণার ক্ষেত্রে এই বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া অন্য কোনো বড় বিশ্ববিদ্যালয় ধারে-কাছেও ছিল না। যদি ইনসাফের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয় তাহলে এই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ এশিয়া নয়, বিশ্বের মধ্যে অন্যতম হবে। জাতি গঠন করতে হলে ভালো শিক্ষার প্রয়োজন। কিন্তু এই শিক্ষাকে পঙ্গু বানিয়ে রাখা হয়েছে। সারা দেশে শিক্ষার বাজেট লুটপাট করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আগের ২৩ বছর পরের ৫৪ বছর এই ৭৭ বছর আমরা দেখেছি। আমরা কি সেই পুরোনো রাজনীতি চান? চান না। তরুণ-তরুণী এমনকি শিশুরাও চায় না, মা-বোনরা চান না। এবার বাংলাদেশের পরিবর্তন চায়। আর জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে প্রত্যেকটি বিভাগীয় শহরকে স্মার্ট নগরী হিসেবে গড়া তোলা হবে। নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে করা হবে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যুবসমাজ দেশের সম্পদ, তারা কোনো দয়া বা অনুদান চায় না। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের আন্দোলনে যুবকরা কি বেকার ভাতার জন্য প্রাণ দিয়েছিল? না, তারা বলেছিল, ‘আমরা কাজ করতে চাই, দেশ গড়তে চাই।’ আমরা যুবকদের হাতে অপমানজনক ‘বেকার ভাতা’ তুলে দেব না; বরং প্রতিটি বেকার যুবকের হাতকে শক্তিশালী ও কর্মক্ষম করে গড়ে তুলব, ইনশাআল্লাহ।

মহানগর জামায়াত আমির মাওলানা কামরুল আহসান এমরুলের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ ১১টি সংসদীয় আসনে ১১ জোট মনোনীত প্রার্থীরা। সভা শুরুর আগে সকাল থেকে মিছিলে মিছিলে উত্তাল হয়ে ওঠে পুরো নগরী।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!