× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ৪, ২০২৬, ০৩:৩৮ পিএম

জমি ছাড়তে দেরি, মুচাসহ ১৩ বিঘা কলাগাছ কেটে ফেলল জমির মালিক

মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ৪, ২০২৬, ০৩:৩৮ পিএম

কেটে ফেলা কলাগাছ। ছবি:  রূপালী বাংলাদেশ

কেটে ফেলা কলাগাছ। ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

চুক্তিবদ্ধ চাষী জমি ছেড়ে দিতে বিলম্ব করার দায়ে টাঙ্গাইলের মধুপুরে ১৩ বিঘা জমির অপরিপক্ক মুচাসহ কলাগাছ কেটে সাবাড় করে ফেলেছেন জমির মালিক আব্দুল হাই (সাবেক শিক্ষক) নামের ব্যক্তি। 

এতে ১৫ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে দাবি করেছেন চাষি কিতাব আলী। উপজেলা কৃষি অফিস ও থানায় লিখিত দিয়েছেন তিনি। 

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার বেরীবাইদ ইউনিয়নের জাঙ্গালিয়া (পাটপচা) গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে  ১৩ বিঘা জমির কলার কাদি মুচাসহ গাছ কেটে ফেলার এমন ঘটনা ঘটেছে ।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, চুক্তি অনুযায়ী কৃষক কিতাব আলী আব্দুল হাইয়ের দখলীয় প্রায় ১৩ বিঘা খাস (বন বিভাগের) জমি চার বছরের জন্য ১৪ লাখ টাকার বিনিময়ে লিজ নেন। গেল ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে লিজের মেয়াদ শেষ হয়েছে। 

কিন্তু জমিতে লাগানো কলা গাছে ফল থাকায় কিতাব আলী জমি খালি করতে অতিরিক্ত আরও দুই মাস সময় দাবি করেন। জমির মালিক আব্দুল হাই আর সময় না দিয়ে শ্রমিক নিয়ে গাছ কেটে ফেলেন।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক কিতাব আলী বলেন, লিজের মেয়াদ শেষ হলেও গাছে অপরিপক্ক ফল থাকায় জমির মালিকের কাছে দুই মাস সময় প্রার্থনা করেছি। কিন্তু তিনি সময় না দিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে গাছ কেটে জমি খালি করতে বলেন। এতে অস্বীকৃতি জানালে জোরপূর্বক জমির মালিক আব্দুল হাই শ্রমিক নিয়ে গাছ কেটে ফেলেছেন। এতে করে আমার প্রায় ১৫ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। আমি ৪ জনকে আসামি করে থানা একটি অভিযোগ দিয়েছি। 

এ বিষয় প্রতিপক্ষ জমির মালিক আব্দুল হাই বলেন, জমির লিজের মেয়াদ শেষ হয়েছে। বারবার বলার পরও কিতাব আলী জমি খালি না করায় তিনি শ্রমিক নিয়ে গাছ কেটে জমি দখলে নিয়েছেন।

এ বিষয়ে মধুপুর থানার  উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রকিব আল রানা বলেন, অপরিপক্ক ফল থাকা অবস্থায় গাছ কেটে ফেলা অমানবিক কাজ হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!