মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার কারণে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কায় জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে গ্রাহকদের ভিড় লক্ষ করা গেছে।
বুধবার (৪ মার্চ) সকাল থেকে বকশীগঞ্জ পৌর এলাকার মেসার্স পরেশ চন্দ্র শাহা ফিলিং স্টেশনসহ কয়েকটি জ্বালানি তেল বিক্রয় কেন্দ্রে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, অটোরিকশা ও পণ্যবাহী যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়।
জানা গেছে, ইরান ও ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের সংঘর্ষের কারণে ইরান কর্তৃক হরমুজ প্রণালি বন্ধ করলে আন্তর্জাতিকভাবে জ্বালানি তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। তাই সাধারণ কৃষক, মোটরসাইকেল চালক এবং খুচরা জ্বালানি তেল ব্যবসায়ীসহ অনেকেই নির্ধারিত প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল সংগ্রহ করছেন, জানিয়েছেন পাম্প সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, ‘খবর শুনছি, তেলের দাম হঠাৎ বাড়তে পারে। তাই আগে থেকেই ট্যাংক ফুল করে রাখছি।’
আরেক পরিবহন শ্রমিক জাহিদুল ইসলাম জানান, ‘যদি দাম বেড়ে যায়, ভাড়ার ওপর চাপ পড়বে। তাই এখন যতটা সম্ভব তেল নিয়ে রাখছি।’
বকশীগঞ্জ মেসার্স পরেশ চন্দ্র শাহা ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক জানান, ‘সরকারিভাবে এখনো দাম বাড়ার কোনো ঘোষণা নেই। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত মজুত আছে। তবে গুজব ছড়িয়ে পড়ায় হঠাৎ গ্রাহক চাপ বেড়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গত দুই দিন সাধারণ দিনের তুলনায় প্রায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ বেশি বিক্রি হচ্ছে।’


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন