× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ১, ২০২৬, ১০:২৬ এএম

১৬ দিনেই উঠে যাচ্ছে ১০ লাখ টাকার রাস্তার টাইলস

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ১, ২০২৬, ১০:২৬ এএম

সংস্কারের জন্য টাইলস তুলে পুনরায় বসানোর কাজ চলছে। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

সংস্কারের জন্য টাইলস তুলে পুনরায় বসানোর কাজ চলছে। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

সাতক্ষীরার তালা উপজেলা পরিষদ চত্বরে ইউএনও বাংলো থেকে মূল সড়ক পর্যন্ত ১০০ মিটার রাস্তা টাইলসকরণ প্রকল্পে অনিয়ম ও নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠেছে।

কাজ শেষ হওয়ার ১৬ দিনের মাথায় সড়কের টাইলস ওঠে যাওয়ায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় প্রকল্পটির তদারকির দায়িত্ব থাকা উপজেলা সহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অবহেলা ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। 

জানা গেছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাংলো থেকে মূল সড়ক পর্যন্ত ১০০ মিটার রাস্তা ঢালাইসহ টাইলস বসানোর কাজটি এডিপির আওতায় প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়ন করছে উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর। দরপত্রের মাধ্যমে ঠিকাদার এমডি আশরাফ আলী কার্যাদেশ পেলেও জাহাঙ্গীর হোসেনের মাধ্যমে কাজটি পরিচালিত হয়। উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী স্বজল কুমার শীল প্রকল্পটির তদারকি করেন। মার্চ মাসের ১৫ তারিখে কাজ শেষ হয়েছে।

রোববার (৩০ মার্চ) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, কাজ শেষ হওয়ার ১৬ দিন যেতে না যেতেই রাস্তার টাইলস এখন হাত দিয়েই উঠিয়ে ফেলা যাচ্ছে। কাজের মান নিম্নমানের হওয়ায় সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিলের অনুমোদন দেননি বলে জানা গেছে। বর্তমানে মিস্ত্রি শাহিন গাজী সংস্কারের জন্য টাইলস তুলে পুনরায় বসানোর কাজ করছেন।

মিস্ত্রি শাহিন গাজী বলেন, ঢালাইয়ের ওপর বালুর সঙ্গে প্রয়োজনীয় পরিমাণ সিমেন্ট না দেওয়ায় টাইলস ঠিকভাবে বসেনি, ফলে সহজেই ওঠে যাচ্ছে। এ কারণে সংস্কারের কাজ চলছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রুহুল আমিন, আব্দুর রহমান ও জয়দেবসহ একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, ঢালাইয়ের সময় পর্যাপ্ত সিমেন্ট ব্যবহার করা হয়নি এবং টাইলস বসানোর সময় আরও কম দেওয়া হয়েছে। ফলে পা দিয়ে চাপ দিলেই টাইলস উঠে যাচ্ছে। কাজটি তদারকির দায়িত্বে থাকা সহকারী প্রকৌশলী স্বজল শীল দাঁড়িয়ে থেকে কাজ করার পর কীভাবে এই অবস্থা হয় সেটা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয় এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, নিম্নমানের কাজ হওয়ার পেছনে সহকারী প্রকৌশলীরও হাত রয়েছে।

এ বিষয়ে ঠিকাদার এমডি আশরাফ আলী বলেন, কাজটি তার নামে হলেও জাহাঙ্গীর হোসেন বাস্তবায়ন করছেন। কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না তা তিনি অবগত নন।

উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী স্বজল কুমার শীল দাবি করেন, কাজে কোনো অনিয়ম হয়নি। টাইলস বসানোর পর সঠিকভাবে পানি না দেওয়ায় তা শক্ত হয়নি। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সংস্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং কাজ শুরু হয়েছে।

উপজেলা প্রকৌশলী রথীন্দ্র নাথ হালদার জানান, তিনি বর্তমানে বাইরে রয়েছেন, পরে এ বিষয়ে কথা বলবেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসনেয়ারা বলেন, তিনি নতুন যোগদান করেছেন। বিষয়টি এখনো বিস্তারিত জানা হয়নি। উপজেলা প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!