× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ১৬, ২০২৬, ০৬:২৩ পিএম

রাঙ্গুনিয়ার যুবদল নেতা মাসুদ হত্যার ২ দিন পর মামলা, আসামি ১৯ আটক ১

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ১৬, ২০২৬, ০৬:২৩ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

রাঙ্গুনিয়ার যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরীকে (৪৫) হত্যার ঘটনায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে সন্দেহভাজন একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) দিবাগত রাতে নিহতের বড় ভাই ও রাঙ্গুনিয়ার বেতাগী ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মুহাম্মদ পেয়ারুল হক চৌধুরী স্বপন বাদী হয়ে রাউজান থানায় মামলাটি করেন।

মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম।

তিনি বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পর সন্দেহভাজন হিসেবে একজনকে আটক করা হলেও মামলার এজাহারভুক্ত কাউকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি।

এ বিষয়ে রাউজান-রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) বেলায়েত হোসেন বলনে, নিহতের বড় ভাই বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এর আগে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে।

জানা যায়, গত শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী চৌমুহনী বাজার এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় মাসুদুল হক চৌধুরীকে। 

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য ও ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সিএনজিচালিত অটোরিকশায় এসে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি মাসুদ চৌধুরীকে ধাওয়া করে। এসময় মাসুদ চৌধুরী প্রাণ বাঁচাতে দৌড়া পালানোর সময় শাহ আশরাফীয় নামক ঔষধের দোকানের সামনের সিঁড়িতে পড়ে যান। এরপর তাঁকে লক্ষ্য করে একাধিক রাউন্ড গুলি ছোড়ে হামলাকারীরা। প্রথম দফায় গুলি চালিয়ে চলে যাওয়ার পর আবার ফিরে এসে মাসুদের মাথায় ৩ রাউন্ড গুলি ছোড়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে হামলাকারীরা। পরে আতঙ্ক ছড়াতে ফাঁকা গুলিও ছোড়ে হামলাকারীরা। একপর্যায়ে তারা অটোরিকশায় করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

পুলিশ সূত্র জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তাঁদের গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে, মুহাম্মদ জাকির (৪২) নামে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলা না হওয়ায় তাকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামে আলোচিত বড় সাজ্জাদ বাহিনীর অনুসারী রায়হান বাহিনীর সদস্যরা রাঙ্গুনিয়ার যুবদলের নেতা মাসুদ চৌধুরীর হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়। এ ঘটনায় অস্ত্রধারী পাঁচজনকে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করা হয়েছে। তারা হলেন, রাউজানের কদলপুর এলাকার মোহাম্মদ ইলিয়াস প্রকাশ দামা ইলিয়াস, দিদারুল আলম প্রকাশ দিদার, রাউজান পৌরসভার ফরেস্ট অফিস এলাকার মোহাম্মদ ইউসুফ এবং রাউজান সদর ইউনিয়নের পূর্ব রাউজান এলাকার মোহাম্মদ জাহেদ ও মোহাম্মদ আবছার। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইলিয়াস ও দিদারুল প্রথমে মাকসুদুলকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। পরে ইউসুফ, জাহেদ ও আবছার দৌড়ে গিয়ে তাকে লক্ষ্য করে আরও কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়েন। শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিরা শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হান বাহিনীর সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, সন্ত্রাস, অপহরণ ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ বলছে, হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া অস্ত্রধারীদের পাশাপাশি একটি ব্যাকআপ টিমও মাঠে ছিল।

মাসুদুল হক চৌধুরী রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। পাশাপাশি আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বেতাগী ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবেও আলোচনায় ছিলেন। তাঁর হত্যাকাণ্ডে এলাকায় শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

Link copied!