× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১৮, ২০২৬, ১২:০৮ এএম

তিন বছরে ২ কোটি ৭০ লাখ কৃষককে কার্ডের আওতায় আনা হবে: কৃষিমন্ত্রী

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১৮, ২০২৬, ১২:০৮ এএম

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, কৃষক কার্ডের পাইলট কর্মসূচিতে চলতি বছরে ৪৩ লাখ কৃষকের তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আজ বিকেলে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের মধ্যম কচুয়াই ব্লকে কৃষক কার্ডের জন্য তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, তিন বছরের মধ্যে দেশের প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ কৃষককে কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হবে। এর ফলে দেশের কৃষি খাতের একটি সমন্বিত ও আধুনিক তথ্যভান্ডার গড়ে উঠবে, যা ভবিষ্যতে কৃষি পরিকল্পনা ও সেবা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, গতকাল (১৬ জুলাই) থেকে দেশব্যাপী কৃষক নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নিবন্ধনের তথ্য অনলাইনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্রীয় সার্ভারে যুক্ত হচ্ছে এবং কন্ট্রোল রুম থেকে তা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বর্তমানে (আজ দুপুর পর্যন্ত) প্রায় ৪৫ হাজার কৃষক নিবন্ধিত হয়েছেন এবং এই সংখ্যা প্রতি মুহূর্তে বাড়ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, কৃষক কার্ড কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণির কৃষকের জন্য নয়; দেশের সব কৃষকই পর্যায়ক্রমে এ কর্মসূচির আওতায় আসবেন। কৃষকের ধরন ও প্রয়োজন অনুযায়ী পরিকল্পনা গ্রহণ, উৎপাদন বৃদ্ধি, বাজারের চাহিদার সঙ্গে সমন্বয় এবং উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতেই সরকার কৃষক কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

তিনি বলেন, দেশে বড়, মাঝারি, ক্ষুদ্র, ছোট, প্রান্তিক ও বর্গাচাষিসহ বিভিন্ন শ্রেণির কৃষক রয়েছেন। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে তাদের পূর্ণাঙ্গ তথ্যভান্ডার তৈরি করা হবে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিটি শ্রেণির কৃষকের জন্য আলাদা প্রকল্প ও সহায়তা কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে, যাতে প্রয়োজন অনুযায়ী তারা সরকারি সেবা ও সহায়তা সহজে পেতে পারেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য হলো কৃষির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক মানুষের কাছে উৎপাদনের প্রয়োজনীয় সহায়তা সময়মতো পৌঁছে দেওয়া। বড় কৃষকরা যাতে বৃহৎ পরিসরে উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা পান এবং ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরাও প্রয়োজনভিত্তিক সহায়তা লাভ করেন, তা নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে কৃষক যেন তাঁর উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পান, সে লক্ষ্যে উৎপাদন ও বাজারের চাহিদার মধ্যে সমন্বয় করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, কোন এলাকায় কোন ফসল সবচেয়ে ভালো উৎপাদিত হয়, কৃষক কার্ডের তথ্যভান্ডারের মাধ্যমে তা নির্ভুলভাবে জানা সম্ভব হবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিশেষজ্ঞ কৃষি কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়ে উৎপাদনের মান উন্নয়ন, রোগবালাই দমন এবং ফলন বৃদ্ধিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে। এতে উৎপাদনের অপচয় কমবে এবং কৃষক লাভবান হবেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. বয়জার রহমান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!