× UCB Sticker Card
রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ভোলা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২১, ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম

চরফ্যাশনে জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় এফডিএ’র ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

ভোলা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২১, ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং উপকূলীয় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ভোলার চরফ্যাশনে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর অর্থায়নে এবং পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (এফডিএ)-এর বাস্তবায়নে পরিচালিত আরএইচএল (RHL) প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

দুর্যোগঝুঁকিপূর্ণ একটি ইউনিয়নে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রায় ৫০০ জন উপকারভোগী পরিবার ও স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে পাঁচ প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এফডিএ’র সিনিয়র প্রোগ্রাম সমন্বয়কারী শংকর চন্দ্র দেবনাথ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চরফ্যাশন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মামুন হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কৃষিবিদ মো. মনিরুল ইসলাম।

বক্তারা বলেন, উপকূলীয় এলাকার লবণাক্ত মাটির উপযোগী মেহগনি, নারিকেল, নিম ও কদবেলের মতো গাছ একদিকে সবুজ বেষ্টনী হিসেবে কাজ করে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সহায়তা করবে, অন্যদিকে মাটির ক্ষয়রোধ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি এসব গাছের ফল ও অন্যান্য উপকারিতা স্থানীয় মানুষের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিকল্প আয়ের সুযোগও সৃষ্টি করবে।

পরিবেশ সংরক্ষণে নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চারা বিতরণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। তারা বলেন, ছোটবেলা থেকেই পরিবেশবান্ধব কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা গেলে ভবিষ্যতে জলবায়ু সচেতন নাগরিক গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

প্রধান অতিথি মো. মামুন হোসেন তার বক্তব্যে এ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, ‘উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জন্য এ ধরনের দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি অত্যন্ত সময়োপযোগী। এটি শুধু পরিবেশ রক্ষাই নয়, মানুষের জীবন ও জীবিকাকে আরও টেকসই করতে সহায়তা করবে।’

সভাপতির বক্তব্যে শংকর চন্দ্র দেবনাথ বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য কেবল গাছ বিতরণ নয়; বরং উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের বসতভিটাকে জলবায়ু সহনশীল করে গড়ে তোলা। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে আমরা একটি নিরাপদ ও সবুজ ভবিষ্যৎ নির্মাণের চেষ্টা করছি।’

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে আরএইচএল প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার মেহেদী আজম বলেন, ‘উপকূলের এই মাটিতে আমরা শুধু চারা রোপণ করছি না, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে একটি সবুজ ঢাল নির্মাণ করছি। প্রতিটি গাছের সঙ্গে জড়িয়ে আছে উপকূলের মানুষের টিকে থাকা ও ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন।’

প্রকৃতিনির্ভর এই অভিযোজন উদ্যোগ ভবিষ্যতে উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

Link copied!