× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

চাঁদপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ০৮:৫০ পিএম

চাঁদপুরে হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন

চাঁদপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ০৮:৫০ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

চাঁদপুরের কচুয়ায় বিদেশে পাঠানো টাকা পরিশোধকে কেন্দ্র করে মারধর ও কাঠের আঘাতে কেরামত আলী (৫৮) নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার অপরাধে আসামি মো. মোশারফ হোসেন (৩৫) ও মো. ইয়াছিন (৩৭)-কে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সামছুন্নাহার এ রায় দেন।

হত্যার শিকার কেরামত আলী কচুয়া উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের লইয়া মেহের পাঁচধারা গ্রামের লেবার বাড়ির বাসিন্দা। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মোশারফ একই গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে এবং ইয়াছিন মো. হাছানের ছেলে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৩ আগস্ট সকালে লেবার বাড়িতে মামলার বাদী ও নিহত কেরামত আলীর ছেলে মো. জসিম উদ্দিনের সঙ্গে বিদেশে পাঠানো টাকা পরিশোধকে কেন্দ্র করে আসামিদের মারধরের ঘটনা ঘটে। বিবাদী মোশারফ গং বাদীর ছোট ভাই আল-আমিনের ওপর আক্রমণ চালায়। এ সময় তাদের মা ও বাবা কেরামত আলী ছেলে আল-আমিনকে রক্ষা করতে এলে আসামি ইয়াছিনের কাঠের আঘাতে গুরুতর আহত হয়ে কেরামত আলী মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে দুই হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সর্বশেষ তাকে কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার নবাবপুর টাওয়ার হাসপাতালে নেওয়া হলে ওই দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পরদিন ২৪ আগস্ট নিহত ব্যক্তির ছেলে জসিম উদ্দিন কচুয়া থানায় ৭ জনকে নামীয় আসামি করে মামলা করেন। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় তৎকালীন কচুয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মামুনুর রশিদ সরকার মামুনকে। তিনি তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কুহিনুর বেগম বলেন, মামলাটি চলাকালে আদালত ২০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষ্য গ্রহণ, মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা এবং আসামিদের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি ইয়াছিনের উপস্থিতিতে বিচারক এ রায় দেন। অপর আসামি মোশারফ হোসেন পলাতক রয়েছেন এবং বাকি পাঁচ আসামির অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় বিচারক তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।

মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন মো. জসিম উদ্দিন প্রধান ও সফিকুল ইসলাম ভুঁইয়া।

Link copied!