চট্টগ্রামের সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্র পারকি সৈকতে এক বছর পর আবারও মৃত কচ্ছপের স্তূপ পাওয়া গেছে। সৈকতের বালুচরে পড়ে থাকা কচ্ছপের মৃত্যু পরিবেশ বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে।
মৃত কচ্ছপগুলো কয়েকদিন ধরে দুর্গন্ধ ছড়ানোর পর শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলা প্রশাসন বালুচরের কচ্ছপগুলো অপসারণ করে মাটির নিচে চাপা দিয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে সৈকতের এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ১০-১২টি বড় কচ্ছপ মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল।
সে সময় এসব মৃত কচ্ছপ কয়েক সপ্তাহ দুর্গন্ধ ছড়ালেও উপজেলা প্রশাসন বা স্থানীয় কোনো সংস্থা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ঠিক একইভাবে, গত কয়েকদিন ধরে আবারও সৈকতের বালুচরে মৃত কচ্ছপ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। মৃত কচ্ছপের দুর্গন্ধে পর্যটকরা অস্বস্তি বোধ করছেন।
বেড়াতে আসা এক পর্যটক বলেন, পারকি সৈকতের মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে পর্যটকদের কাছে আকর্ষণ হারিয়েছে। ফলে মানুষ শহরের এত কাছেই থাকা সত্ত্বেও এই কেন্দ্র এড়িয়ে পার্বত চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ছুটে যায়।
সৈকতের বালুচর দখল করে বাইকারদের উৎপাত, নানা ময়লা আবর্জনা এবং পর্যাপ্ত পরিচ্ছন্ন ও পরিকল্পিত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান না থাকার কারণে এটি পর্যটকের আগ্রহ হারাচ্ছে। তবে সঠিক ব্যবস্থা ও পরিকল্পিতভাবে সম্প্রসারণ করলে এটি দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।
আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহিমিনা আকতার জানান, মৃত কচ্ছপগুলো শনিবার দুপুরে অপসারণ করে মাটির নিচে চাপা দেওয়া হয়েছে।


