দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে আরও দুটি বড় জাহাজে করে মোট ৬৮ হাজার টন ডিজেল চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জাহাজ দুটি বন্দরের বহির্নোঙরে ভেড়ে এবং পরবর্তীতে সেগুলো থেকে জ্বালানি খালাসের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়।
বর্তমানে বন্দরের বহির্নোঙর ও ডলফিন অয়েল জেটিতে তিনটি বিদেশি জাহাজ অবস্থান করছে। এসব জাহাজ থেকে ধাপে ধাপে ডিজেল ও জেট এ-১ (বিমান জ্বালানি) খালাস করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা সত্ত্বেও দেশে জ্বালানির মজুত স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এবং বন্দর কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব সহকারে কাজ করছে।
এর আগে, সিঙ্গাপুর থেকে প্রায় ১১ হাজার টন জেট এ-১ জ্বালানি নিয়ে ‘এমটি গ্রেট প্রিন্সেস’ নামের একটি জাহাজ ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে ডলফিন অয়েল জেটি-৬-এ অবস্থান করে খালাস কার্যক্রম চালাচ্ছে। এই জ্বালানি দেশের বিমান চলাচলের জন্য সরবরাহ করা হবে।
অন্যদিকে, প্রায় ৩৪ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল বহনকারী ‘এমটি লুসিয়া সলিস’ ১৪ এপ্রিল রাত ১১টায় বহির্নোঙরে পৌঁছে। বর্তমানে লাইটারেজ পদ্ধতিতে জ্বালানি খালাস করা হচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, জোয়ারের সময় ১৫ এপ্রিল দুপুরে জাহাজটিকে ডলফিন অয়েল জেটি-৫-এ নেওয়া হবে।
এ ছাড়া, ৩২ হাজার টন ডিজেলবাহী ‘এমটি টর্ম দামিনি’ নামের আরেকটি জাহাজও বহির্নোঙরে অবস্থান করছে এবং সেখান থেকেই খালাস কার্যক্রম চলছে। আগামীকাল জাহাজটিকে ডলফিন অয়েল জেটি-৬-এ স্থানান্তর করা হবে বলে জানা গেছে।
বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানান, ডলফিন জেটিতে জাহাজ ভেড়ানো জোয়ার-ভাটার সময়সূচির ওপর নির্ভর করে। অভিজ্ঞ পাইলটদের তত্ত্বাবধানে এবং টাগবোটের সহায়তায় কর্ণফুলী চ্যানেল দিয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা হচ্ছে।
বিপিসি সূত্র জানিয়েছে, দেশের জ্বালানি চাহিদা বিবেচনায় এনে আমদানি, খালাস ও পরিবহন কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ কারণে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে এবং দ্রুত খালাস সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি বজায় রাখা হয়েছে।
-20260415183010.webp)

