কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়ায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের যৌথ অভিযানে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে বন্দি থাকা নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, সাগরপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে কয়েকজন নারী, পুরুষ ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন বাহারছড়া কচ্ছপিয়া এলাকার কুখ্যাত মানব পাচারকারী মো. আব্দুল আলী তার নিজ বাড়ির একটি গুদামঘরে আটকে রেখেছে।
প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রোববার বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ড স্টেশন টেকনাফ, আউটপোস্ট বাহারছড়া এবং র্যাবের সমন্বয়ে ওই বাড়িতে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে যৌথ বাহিনী বাড়ির গুদামঘরে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশ্যে বন্দি থাকা নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১৫ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে।
তবে অভিযানের সময় যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
উদ্ধারদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশযাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় পাঠানোর নামে সাগরপথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
পরে উদ্ধারকৃত ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, মানব পাচার রোধে কোস্টগার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন