× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কক্সবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০৬:০৮ এএম

৫ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে কক্সবাজারে এলপিজি স্টেশনের আগুন

কক্সবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০৬:০৮ এএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

কক্সবাজারের কলাতলী আদর্শ গ্রাম এলাকায় নতুন উদ্বোধন হওয়া “কক্সবাজার এলপিজি স্টেশন”এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে মাটির নিচে স্থাপিত গ্যাস লাইনের পাইপে লিকেজ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রায় পাঁচ ঘণ্টার চেষ্টার পর বুধবার দিবাগত রাত (বৃহস্পতিবার) পৌনে ৩টার দিকে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গ্যাস লাইনের পাইপে লিকেজের পর আগুন ধরে যায়। পরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর সাতটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী-এর ১০ পদাতিক ডিভিশনের ২ পদাতিক ব্রিগেডের অধীন ৯ ই বেঙ্গল (কক্সবাজার সদর আর্মি ক্যাম্প) থেকে ৫০ সদস্যের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। তারা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে সরঞ্জামাদিসহ সক্রিয় সহায়তা প্রদান করে।

জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী রিমোট কন্ট্রোল টিম মোতায়েন করে এবং জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়। অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম চলাকালে পানির স্বল্পতা দেখা দিলে ৯ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন থেকে দুটি এবং ৭৯ ই বেঙ্গল (সাপোর্ট ব্যাটালিয়ন) থেকে একটি ওয়াটার ব্রাউজার পাঠানো হয়।

এছাড়া বাংলাদেশ বিমান বাহিনী থেকেও দুটি ওয়াটার ব্রাউজার যুক্ত হয়। সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, বিমান বাহিনী ও পুলিশের সমন্বিত প্রচেষ্টায় টানা পানি সরবরাহের মাধ্যমে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৪৫ মিনিটে মাটির নিচে স্থাপিত প্রায় ১৪ হাজার লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন গ্যাস ট্যাংকে থাকা গ্যাস নিঃশেষ হওয়ার পর আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।

অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে গুরুতর দগ্ধ ৮ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম ও ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

গ্যাসের উৎকট গন্ধে ফায়ার সার্ভিস সদস্যসহ বহু নারী, পুরুষ ও শিশু অসুস্থ হয়ে পড়েন। তবে এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। আগুনে অন্তত ২০টি ট্যুরিস্ট জিপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল দল ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে এবং জনসাধারণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। ঘটনার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!