× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কক্সবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ৭, ২০২৬, ০৩:৪২ পিএম

হাসপাতালের লিফটের নিচে মিলল নিখোঁজ গৃহবধূর মরদেহ

কক্সবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ৭, ২০২৬, ০৩:৪২ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

চার দিনের উদ্বেগ, অপেক্ষা এবং অজানা আশঙ্কার অবসান ঘটল এক হৃদয়বিদারক খবরে। নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর আজ শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের লিফটের নিচের একটি কক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে গৃহবধূ কোহিনুর আক্তারের নিথর মরদেহ।

নিহত কোহিনুর আক্তার কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ডেইলপাড়া এলাকার কাতারপ্রবাসী নুরুল ইসলামের স্ত্রী।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার দুপুরে নিজের অসুস্থ সন্তানকে চিকিৎসা করাতে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন কোহিনুর আক্তার। চিকিৎসার ব্যস্ততার মাঝেই একসময় রহস্যজনকভাবে হাসপাতাল থেকে নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। এর পর থেকে শুরু হয় স্বজনদের উৎকণ্ঠা এবং দুশ্চিন্তার দীর্ঘ প্রতীক্ষা।

কোহিনুরের হঠাৎ নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবার ও স্বজনরা হাসপাতালের বিভিন্ন কক্ষ, করিডোর এবং আশপাশের এলাকায় তাকে খুঁজতে থাকেন। আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনের কাছেও খোঁজ নেওয়া হয়। কিন্তু কোথাও তার কোনো সন্ধান মেলেনি।

চার দিনের খোঁজাখুঁজির অবসান ঘটে শনিবার। দুপুরে হাসপাতালের লিফটের নিচে থাকা একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। খবরটি ছড়িয়ে পড়তেই হাসপাতাল এলাকায় সৃষ্টি হয় চাঞ্চল্য এবং শোকের আবহ।

স্বজনরা জানান, শনিবার দুপুরে খবর পেয়ে তারা হাসপাতালে এসে কোহিনুরের মরদেহ শনাক্ত করেন। প্রিয়জনের এমন করুণ পরিণতি দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা।

ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। কীভাবে হাসপাতালের ভেতরে লিফটের নিচের কক্ষে তার মরদেহ পৌঁছাল, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিষয়টি ঘিরে এলাকায় রহস্য এবং উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি মো. ছমী উদ্দিন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে।

Link copied!