× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২৮, ২০২৬, ০৩:৪৭ পিএম

ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত ৫ জনের দাফন সম্পন্ন

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২৮, ২০২৬, ০৩:৪৭ পিএম

ট্রেনে কাটা পড়ে নিহতদের দাফন। ছবি : সংগৃহীত

ট্রেনে কাটা পড়ে নিহতদের দাফন। ছবি : সংগৃহীত

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার মা ও ছেলেসহ নিহত পাঁচজনের পৃথক জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।

শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের নিজপাড়া গ্রামের বাড়ি চত্বরে সুলতান মাহমুদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তার চাচাতো বোন রিফা খাতুনের জানাজা বাড়ির উঠানে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়।

এ ছাড়া দুপুর দেড়টার দিকে অপর নিহত দোলা বেগমের গ্রামের বাড়ি বোয়ালিদহ গ্রামে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

অন্যদিকে, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নিজপাড়া গ্রামের ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন স্থানে নার্গিস আক্তার ও তার ১২ বছর বয়সী ছেলে নিরবের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাদের পাশাপাশি পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

পৃথকভাবে অনুষ্ঠিত এসব জানাজায় ইমামতি করেন স্থানীয় জামে মসজিদের ইমাম। এতে নিহতদের স্বজন, প্রতিবেশী, স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

নিহতরা হলেন— নিজপাড়া (আমবাগান) গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে সুলতান মাহমুদ (২৮), তার চাচাতো বোন রিফা খাতুন (২৪), আব্দুর রশিদের মেয়ে; অপররা হলেন নার্গিস আক্তার (৪২), তার ছেলে নিরব (১২) এবং বোয়ালিদহ গ্রামের জাকির হোসেনের স্ত্রী দোলা বেগম (৪৫)। নার্গিস আক্তার একই গ্রামের হামিদুজ্জামান (হাম্বু)-এর স্ত্রী। তারা সবাই দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার বিভিন্ন পোশাক কারখানায় কাজ করতেন।

এর আগে শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে নিহতদের মরদেহ ধাপেরহাট ইউনিয়নের নিজপাড়া গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। মরদেহ পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। প্রিয়জনদের শেষবারের মতো দেখতে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী-পুরুষ ভিড় করেন।

স্থানীয়রা জানান, ঈদের ছুটি শেষে জীবিকার তাগিদে ঢাকায় ফেরার পথে তারা এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হন। একই পরিবারের একাধিক সদস্যসহ পাঁচজনের মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাজুড়ে গভীর শোক নেমে এসেছে।

জানা গেছে, নিহতরা সবাই দরিদ্র পরিবারের গার্মেন্টস শ্রমিক ছিলেন। ঈদের ছুটি শেষে ধাপেরহাট বাসস্ট্যান্ড থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন তারা। পথে বহনকারী বাসটির তেল শেষ হয়ে গেলে সন্ধ্যার দিকে তারা সড়কের পাশে নেমে পড়েন। পরে অসতর্কভাবে রেললাইনের ওপর বসে কথা বলার সময় হঠাৎ দ্রুতগামী ট্রেন এসে পড়লে সরে যাওয়ার আগেই ঘটে যায় এই হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা।

Link copied!