ঢাকা শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

গাকৃবির উদ্ভাবিত প্রযুক্তির পরিচিতি নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর
প্রকাশিত: জুন ২৭, ২০২৬, ০৫:৫৩ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

‘গবেষণা, উদ্ভাবন, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি’ স্লোগানকে সামনে রেখে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গাকৃবি) উদ্ভাবিত কৃষি প্রযুক্তির পরিচিতি বিষয়ক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের বহিরাঙ্গন কেন্দ্রের উদ্যোগে ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্সের সেমিনার কক্ষে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. সফিউল ইসলাম আফ্রাদ এবং গবেষণা পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মসিউল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন বহিরাঙ্গন কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. ফারহানা ইয়াসমিন।

এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সদর ও শ্রীপুর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও শ্রীপুরের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা।

সেমিনারে গাজীপুর সদর ও শ্রীপুর উপজেলার কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বদনিভাঙ্গা ও পাজুলিয়া গ্রামের ৪০ জন কৃষক, খামারি ও উদ্যোক্তা অংশ নেন।

মূল প্রবন্ধে অধ্যাপক ড. ফারহানা ইয়াসমিন বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত বিভিন্ন কৃষি প্রযুক্তি, উন্নত জাত, আধুনিক উৎপাদন কৌশল, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, জলবায়ু সহনশীল প্রযুক্তি এবং গবেষণালব্ধ উদ্ভাবনের ব্যবহারিক দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এসব প্রযুক্তির মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারণের মাধ্যমে উৎপাদন ব্যয় কমানো, ফলন বৃদ্ধি এবং কৃষকের আয় বাড়ানো সম্ভব।

পরে ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. সফিউল ইসলাম আফ্রাদ মৌলিক ও প্রায়োগিক গবেষণা ও গবেষণালব্ধ প্রযুক্তি সম্প্রসারণে গাকৃবির অবদান তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গবেষণার প্রকৃত সার্থকতা তখনই আসে, যখন তা গবেষণাগার থেকে কৃষকের মাঠে পৌঁছে উৎপাদন বৃদ্ধি ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। এ লক্ষ্যেই গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণাকে সমাজের প্রয়োজনের সঙ্গে যুক্ত করতে কাজ করছে।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারী কৃষকরা মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা, বিভিন্ন সমস্যা ও প্রযুক্তি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয় তুলে ধরেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা তাদের প্রশ্নের উত্তর দেন এবং প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করেন। পরে অংশগ্রহণকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রম ও গবেষণা মাঠ পরিদর্শন করেন।