× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বেনাপোল প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২২, ২০২৬, ০৯:৫০ পিএম

কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন শিশুসহ ৩৩ বাংলাদেশি

বেনাপোল প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২২, ২০২৬, ০৯:৫০ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ভারতে বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ শেষে পাচারের শিকার শিশুসহ ৩৩ জন বাংলাদেশি নারী-পুরুষকে দেশে ফেরত আনা হয়েছে। রোববার (২২ মার্চ) সন্ধ্যায় বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে এসব নারী-পুরুষ ও শিশুকে বাংলাদেশে আনা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন এবং পশ্চিমবঙ্গের নারী-শিশু পাচার রোধবিষয়ক টাস্কফোর্সের সমন্বিত প্রচেষ্টায় তাদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

ফেরত আসা বাংলাদেশিদের বাড়ি রংপুর, ঠাকুরগাঁও, খুলনা, যশোর, নড়াইল, সাতক্ষীরা ও মেহেরপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায়। এদের মধ্যে ৮ জন নারী ও শিশু এবং ২৫ জন পুরুষ রয়েছেন।

ফেরত আসারা বিভিন্ন সময় অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। সাজাভোগ শেষে তারা বিভিন্ন সেফ হোমের হেফাজতে ছিলেন। পরবর্তী সময়ে নাগরিকত্ব যাচাইপূর্বক ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করে তাদের ফিরিয়ে আনা হয়।

কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের একটি প্রতিনিধিদল বেনাপোল-পেট্রাপোল নোম্যান্সল্যান্ডে শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা মহিলা ও শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা, বিজিবি ও পুলিশ প্রশাসনের নিকট উদ্ধারকৃত এসব নারী-পুরুষ ও শিশুদের হস্তান্তর করেন। এ ছাড়া এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার সময় বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় এনজিও কর্তৃপক্ষ এবং ভারতের বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও বিএসএফ কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিলেন।

ফেরত আসা ভুক্তভোগীরা জানান, ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের ভারতে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল এবং বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ কাজে বাধ্য করা হয়। দীর্ঘ কষ্টের পর দেশে ফিরে পরিবারের কাছে আসতে পেরে তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

মানবাধিকার সংস্থা ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’-এর কর্মী শফিকুল ইসলাম জানান, প্রায় দুই বছর আগে উন্নত জীবনের আশায় দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে তারা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। সেখানে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হওয়ার পর কেউ কারাগারে, আবার কেউ শেল্টার হোমে দীর্ঘদিন অবস্থান করেন। আইনি জটিলতার কারণে অনেককে প্রায় দুই বছর পর্যন্ত বন্দি জীবন কাটাতে হয়েছে।

বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের পুলিশ পরিদর্শক সৈয়দ মোর্তজা হোসেন জানান, ভারত ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তন’ আইনের আওতায় তারা দেশে ফেরার সুযোগ পেয়েছেন। আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার সংস্থাটি ফেরত আসা এসব বাংলাদেশিদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ থেকে নিজেদের হেফাজতে গ্রহণ করেছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!