ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ঝিনাইদহে বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মহাসড়ক অবরোধ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মার্চ ৮, ২০২৬, ০১:৪৭ পিএম
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেল্লাল হোসেন এসে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ঝিনাইদহে বাস টার্মিনালে অবস্থানরত তিনটি বাসে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন পরিবহন শ্রমিকরা। 

রোববার (৮ মার্চ) সকালে শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে মহাসড়ক অবরোধ করা হয়। দীর্ঘ সময়ের অবরোধে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অবরোধ প্রত্যাহার করেন শ্রমিকরা।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শনিবার রাতে ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে অবস্থানরত তিনটি বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রোববার সকাল থেকে মহাসড়ক অবরোধ করেন পরিবহন শ্রমিকরা। এতে মহাসড়কে  অসংখ্য যানবাহন আটকা পড়ে। ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।

পরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এ বি এম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) শেখ বিল্লাল হোসেন, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মাহফুজ হোসেন, সদর থানার ওসি সামসুল আরেফিন, আরাপপুর হাইওয়ে পুলিশের কর্মকর্তা মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাসসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে অবরোধ প্রত্যাহার করেন শ্রমিকরা।

পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি রোকনুজ্জামান রানু বলেন, তেলপাম্পের কর্মচারীদের হাতে যুবক নিহতের ঘটনার সঙ্গে পরিবহন শ্রমিক বা মালিকদের কোনো সম্পর্ক নেই। কিন্তু ওই ঘটনার জেরে দুষ্কৃতকারীরা দাঁড়িয়ে থাকা বাসে অগ্নিসংযোগ করেছে। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেল্লাল হোসেন বলেন, পরিবহন শ্রমিক ও মালিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তারা অবরোধ প্রত্যাহার করেছেন। যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত রাতে শহরের একটি তেলপাম্পের কর্মীদের হামলায় ফারদিন আহমেদ নীরব নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাম্পের তিন কর্মচারীকে আটক করেছে র‍্যাব।