× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

পলাশ (নরসিংদী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২১, ২০২৬, ০১:৩২ এএম

দীর্ঘ ৯ মাস পর ঘোড়াশাল কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু

পলাশ (নরসিংদী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২১, ২০২৬, ০১:৩২ এএম

ছবিঃ রূপালি বাংলাদেশ

ছবিঃ রূপালি বাংলাদেশ

দীর্ঘ ৯ মাস পর দেশের বৃহৎ ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩৬৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৭নং ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে।

শুক্রবার (২০ মার্চ) রাত দুইটা থেকে এ ইউনিটে পুরোদমে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয় বলে ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. এনামুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্যাস সংকটের কারণে ২০২৫ সালের ১৪ জুন ৭নং ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গ্যাস পুনরায় সরবরাহ পাওয়ায় শুক্রবার রাত থেকেই এ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।

 

বিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, গত দুই বছর ধরেই এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সংকট চলছে। গ্যাস সংকটের কারণে ২০২৫ সালের ১৩ জুন বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৪ নম্বর ইউনিট, ৯ জুন ২১০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৫ নম্বর ইউনিট এবং ১৪ জুন থেকে ৩৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৭ নম্বর ইউনিটের উৎপাদন একেবারে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

সূত্র জানায়, সরকার সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ করার কারণে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছিল। ঘোড়াশাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিকল্পভাবে গ্যাস সরবরাহ করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আবেদনও করা হয়েছিল।

বিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে আরও জানা যায়, ২০১০ সালের জুন মাসে ২১০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৬ নম্বর ইউনিটে আগুন লেগে টারবাইন পুড়ে যায়। সেই থেকে এই ইউনিটটিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়।

অপরদিকে, ১৯৬৭ সালে ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটটির নির্মাণ কাজ রাশিয়ার টেকনোপ্রম এক্সপার্ট সম্পন্ন করলে ১৯৭৪ সালের জানুয়ারি মাসে মাত্র ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে এর যাত্রা শুরু হয়।

পরে ৫৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন অপর ২ নম্বর ইউনিটটি ১৯৭৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে উৎপাদনে আসে। এ দুটি ইউনিটে বারবার যান্ত্রিক সমস্যার কারণে দীর্ঘ ৯ বছর যাবৎ উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।

১ ও ২ নম্বর ইউনিট দুটি ভেঙে নতুন ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে বিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে।

প্রধান প্রকৌশলী আরও জানান, ৩৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩ নম্বর ইউনিটের টারবাইনের রোটরের ব্লেডে ত্রুটির কারণে সেটির মেরামতের কাজ চলছে। অপর ৪ ও ৫ নম্বর ইউনিট দুটি প্রস্তুত রয়েছে; পর্যাপ্ত গ্যাস পেলেই এ দুটির বিদ্যুৎ উৎপাদন চালু হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!