ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

‘জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগেই আজ আমরা মুক্ত স্বাধীনতা পেয়েছি’

নরসিংদী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: জুলাই ১৬, ২০২৬, ০৫:৫৩ পিএম
নরসিংদী সদরের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন। ছবি : সংগৃহীত

নরসিংদী সদরের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন বলেছেন, জুলাই শহীদ আন্দোলন আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তীব্র প্রতিবাদের মুখে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হয়েছে। এ আন্দোলনে পিতা-মাতা হারিয়েছেন তার সন্তান, দেশ হারিয়েছে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীকে। একমাত্র জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগের কারণেই আমরা আজ মুক্ত স্বাধীনতা পেয়েছি।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) নরসিংদী জেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত নরসিংদী শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

নরসিংদীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান কেয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসন থেকে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য মনজুর এলাহী, নরসিংদীর পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল ফারুক, নরসিংদীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবু তাহের মো. শামসুজ্জামান, নরসিংদী জেলা পরিষদের প্রশাসক মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন মাস্টার, নরসিংদীর সিভিল সার্জন ডা. বুলবুল কবির, নরসিংদী জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল মান্নান এবং নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এ আউয়াল।

এছাড়া আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা। খায়রুল কবির খোকন বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নরসিংদীতে ২৬ জন নিহত এবং ছয় শত মানুষ আহত হয়েছেন। নরসিংদীতে যে আন্দোলন হয়েছে, ইতিহাসে তা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এ আন্দোলন সফল না হলে আমরা দাঁড়িয়ে থাকতে পারতাম না। এ দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হতো না। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

বাংলাদেশের মানুষ আওয়ামী লীগকে আর দেখতে চায় না। তাদের বিচার বাংলাদেশের মাটিতেই হবে। সভাপতির বক্তব্যে নরসিংদীর জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান কেয়া বলেন, যাদের আত্মত্যাগের কারণে আমরা এখনো দাঁড়িয়ে রয়েছি, জাতি তাদের এ আত্মত্যাগ চিরদিন মনে রাখবে। তারা নিজের জীবন বাজি রেখে আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটাতে বাধ্য করেছেন। তিনি শহীদ পরিবারকে সর্বপ্রকার সাহায্য-সহযোগিতার আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন মো. মোতাহার হোসেন।