নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় এক মাস বয়সী শিশুকে হত্যার ভয় দেখিয়ে এক গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আব্দুর রউফ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (১৭ মে) রাত ৮টার দিকে কেন্দুয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী কৈজানি গুদারাঘাট এলাকার একটি নির্জন পাটখেতে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ রয়েছে, সিরাজগঞ্জের ওই নারী পারিবারিক কলহের জেরে এক মাস বয়সী সন্তানসহ শ্বশুরবাড়ি থেকে বের হয়ে বাবার বাড়িতে ফিরছিলেন। পথে তাম্বুলিপাড়া এলাকায় আব্দুর রউফ নামে এক ব্যক্তি তাকে নিজের বাড়িতে আশ্রয়ের প্রস্তাব দেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, বিশ্বাস করে তার সঙ্গে যাওয়ার পর অভিযুক্ত তাকে নদীর তীরবর্তী নির্জন পাটখেতে নিয়ে যায়। সেখানে ধারালো দা দেখিয়ে শিশুকে হত্যার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়। একপর্যায়ে সন্তানকে ফেলে রেখে ওই নারী অন্ধকারে দৌড়ে পালিয়ে যান এবং প্রায় দুই কিলোমিটার দূরের সাজিউরা বাজারে গিয়ে স্থানীয়দের কাছে সাহায্য চান। পরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করে। ঘটনার পর ক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তের দোকানে ভাঙচুর চালায়।
খবর পেয়ে কেন্দুয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগী নারী ও শিশুকে উদ্ধার করে। নেত্রকোনা জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় কেন্দুয়া ও মদন থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে সোমবার সকালে অভিযুক্ত আব্দুর রউফকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে তিনি মদন থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।
মদন থানার অফিস ইনচার্জ তরিকুল ইসলাম জানান, এখনো মামলা হয়নি বাদী অভিযোগ দিলে আমরা ব্যবস্থা নিব। অভিযুক্ত মদন থানার হেফাজতে রয়েছে।
পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম বলেন, রাত্রে সিমানা নির্ধারণ করা যায়নি সকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এটা মদন থানার আওতাধীন গ্রেপ্তারকৃত মদন থানা হেফাজতে রয়েছে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


