আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পাবনার পাঁচটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এই কার্যক্রম পরিচালনা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. শাহেদ মোস্তফা। এ সময় তিনটি আসনের মোট ১৮ জন প্রার্থী সরাসরি উপস্থিত থেকে নিজ নিজ প্রতীক গ্রহণ করেন।
অন্যদিকে, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশনার আলোকে নির্বাচন কমিশন পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের জন্য নতুন করে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেছে। ইসির প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এ দুটি আসনেও দেশের অন্যান্য আসনের মতো আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিতেই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
নতুন তফসিল অনুযায়ী, ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিলের সুযোগ ছিল এবং ১৯ জানুয়ারি সেগুলোর যাচাই-বাছাই করা হয়। পাবনা-১ আসনে মোট সাতজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিলে যাচাই শেষে বিএনপি ও জামায়াত মনোনীত প্রার্থীসহ চারজনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। অপরদিকে, পাবনা-২ আসনে পাঁচজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন এবং সবাই বৈধতা পান।
রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রাখা হয়েছে ২০ থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। এসব আপিলের নিষ্পত্তি হবে ২৫ জানুয়ারি। এরপর ২৬ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে এবং ২৭ জানুয়ারি পাবনা-১ ও ২ আসনের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, সীমানা নির্ধারণসংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে দায়ের করা রিট ও পাল্টা রিটের কারণে পাবনা-১ ও ২ আসনের নির্বাচন একপর্যায়ে স্থগিত হয়ে যায়। হাইকোর্টের নির্দেশে গত ৬ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন এ দুটি আসনে ভোট স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে পরে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে পাবনা-১ আসনের এক প্রার্থীর করা লিভ টু আপিলের শুনানি শেষে ১৫ জানুয়ারি আপিল বিভাগ ইসির স্থগিতাদেশ বাতিল করে আগের সীমানায় নির্বাচন আয়োজনের নির্দেশ দেন।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন